জুলাই মাসে যোদ্ধাদের দায়মুক্তি প্রদানের জন্য সরকার একটি আলাদা অধ্যাদেশ প্রস্তাবিত করছে। আইন মন্ত্রণালয়ে দায়মুক্তি অধ্যাদেশে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। পরবর্তী উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এটি অনুমোদনের জন্য প্রেজেন্ট করা হবে।আইন উপদেষ্টা প্রফেসর আসিফ নজরুল আজ বৃহস্পতিবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই তথ্যগুলি শেয়ার করেছেন।‘জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি’ নামে পোস্টে আসিফ নজরুল লিখেছেন, ‘জুলাই মাসে যোদ্ধারা জীবনবাজি করে দেশকে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্ত করেছিল। তাদের দায়মুক্তির অধিকার রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনগত প্রশ্ন নেই। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালে তারা ফ্যাসিস্ট শাসনের খুনিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকারী কার্যক্রম চালিয়েছিলেন। তারা দায়মুক্তি পেতে অধিকারী এবং আইনগত সুরক্ষা প্রাপ্ত হতে পারেন। এই ধরনের দায়মুক্তির আইন সম্পূর্ণ বৈধ এবং বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে দায়মুক্তির আইনের বৈধতা বর্ণিত আছে। মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দায়মুক্তি আইন গঠিত হয়েছিল।’আসিফ নজরুল লিখেছেন, ‘এসব বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় দায়মুক্তি অধ্যাদেশে কিছু পরিবর্তন করেছে। আগামী উপদেষ্টামণ্ডলীর বৈঠকে এটি অনুমোদনের জন্য প্রেজেন্ট করা হবে। জুলাইকে নিরাপদ রাখা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।’৬ জানুয়ারি তারিখে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি এবং আইনি সুরক্ষা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি করতে আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল।



