ময়মনসিংহের ভালুকায় পাইওনিয়ার নিটওয়ার বিডি লিমিটেডের শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে দেওয়ায় অন্যতম মূল হোতা মো. ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত ইয়াছিন আরাফাত ভালুকার থানার দক্ষিণ হবিরবাড়ি এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ১২ দিন দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় আত্মগোপন করেছিলেন।
খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘটনার দিন পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরির গেটে স্লোগান দিয়ে লোক জড়ো করার পেছনে মূল ভূমিকা ছিল ইয়াছিনের। উত্তেজিত জনতাকে উসকানি দিয়ে তিনি দীপুকে মারধর করেন। দীপুকে হত্যা পর তার নিথর দেহ রশি দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া এবং সেখানে লাশ পোড়ার ঘটনায় তিনি সরাসরি নেতৃত্ব দেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ইয়াছিন আরাফাত ভালুকার স্থায়ী বাসিন্দা হলেও গত প্রায় ১৮ মাস ধরে তিনি উপজেলার কাশর এলাকায় শেখবাড়ি মসজিদে ইমামতি এবং মদীনা তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে আসছিলেন।
ত ১৮ ডিসেম্বর হত্যাকাণ্ডের পর তিনি কৌশলে আত্মগোপনে চলে যান। ১২ দিন পলাতক অবস্থায় তিনি ঢাকার ডেমরার বিভিন্ন মাদ্রাসায় অবস্থান নেন এবং পরিচয় গোপন করে ‘সুফফা মাদ্রাসা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন, দেশজুড়ে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডে এ পর্যন্ত মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে নয়জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।




দীপুকে হত্যা ও লাশ পোড়ানোয় নেতৃত্বদানকারী ইয়াছিন ঢাকায় গ্রেপ্তার