প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন নো ফুয়েল কার্ড এবং নো পেট্রল-অকটেন নীতি গ্রহণ করেছে। এখন থেকে পেট্রলপাম্প থেকে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে হলে ফুয়েল কার্ড দেখানো প্রয়োজন হবে। তেল সরবরাহের সময়ে কার্ডধারী ব্যক্তির পূর্বে কত তারিখে এবং কত পরিমাণ তেল নেয়া হয়েছে তা দেখা হবে। জ্বালানি তেলের সমস্যা সমাধানে আগামী ১ এপ্রিল থেকে জেলায় মোটরসাইকেলমালিক-চালকদের জন্য এই নীতি বাস্তবায়ন করা হবে।
আজ রবিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জ্বালানি তেলের মজুত, পরিবহন ও বিপণন এবং ব্যবহারবিষয়ক এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের কর্মকর্তা, পেট্রলপাম্প মালিক, রাজনৈতিক নেতা ও সংবাদকর্মীরা।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন এবং মোটরসাইকেলমালিক-চালকদের জন্য পেট্রল ও অকটেনের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে, এখন ফুয়েল কার্ড চালু করা হচ্ছে। আপনি যদি জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির নিবন্ধনের একটি সেট ফটোকপি ও একটি পাসপোর্ট আকারের ছবি জমা দিতে চান তাহলে আপনি বিনা মূল্যে একটি ফুয়েল কার্ড পাবেন। ৩০ ও ৩১ মার্চ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কাগজপত্র জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।
জেলা প্রশাসক সভায় ঘোষণা দেন, যেখানে বলা হয়েছে যে, জেলার ২২টি পেট্রলপাম্প সকাল সাতটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত মজুত থাকবে এবং পেট্রল-অকটেন বিক্রি করবে। রাত আটটার পর শুধু ডিজেল সরবরাহের জন্য পাম্প খোলা থাকবে, যাতে কৃষিকাজে বিঘ্ন না ঘটে। পাম্পের শ্রমিকদের উপর সতর্ক থাকার জন্য বিশেষ আহ্বান জানান৷ তারা ব্যবস্থা করবেন যাতে কোনও অনিয়ম না হয়৷ পাম্পে যে শ্রমিকদের কাজ করবে, তাঁদের দ্বারা কোনও রকমের অসজ্ঞানতা হয় না, এবং তাদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চালিত করার মনে করান৷ প্রশাসক বলেন, কোনও গাড়ির চালক বা মালিক বোতল-কনটেইনার থেকে তেল নিতে পারবেন না৷ যাঁরা তেল প্রয়োজন করবেন, তারা তাদের পরিবহন সাথে আসবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করবেন৷
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের নেতা লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, “বাংলাদেশ থেকে জ্বালানি তেল পাশাপাশি দেশে চোরাচালানের মাধ্যমে পাচার না হয়, এই বিষয়ে ব্যাটালিয়ন খুব সতর্ক রয়েছে। আমরা জেলা প্রশাসনের মনিটরিং কমিটি কে তথ্য দেয়ায় সহায়তা করব। প্রয়োজনে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক বলেন, “কৃষি খাতে যাতে নেতিবাচক কোনো প্রভাব না পড়ে, তার পরিবর্তে আমাদের বিশেষ লক্ষ্য করতে হবে। এছাড়াও, গণমাধ্যমকর্মীদের প্রয়োজনে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাঠানোর জন্য উদ্যোগ নিতে হবে।”




