আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২৬
ইরানে চিকিৎসার অভিযান পরিকল্পনা করছে পেন্টাগন, যা কয়েক সপ্তাহ ধরে চলবে। মার্কিন কর্মকর্তারা এই অভিযানে নেমে পৌঁছানোর জন্য কয়েক হাজার সেনা প্রেরণ করেছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি এই পরিকল্পনার অনুমোদন দেন, তবে এর ফলে যুদ্ধ আরও বেশি জোরে প্রবেশ করতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, অভিযানটি সম্পূর্ণ হবে না, তবে বিশেষ বাহিনী ও পদাতিক সেনাদের সমন্বয়ে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। পরবর্তী সপ্তাহেও পরিকল্পনা চলতে থাকবে, এটি উল্লেখ করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। ইমারতিতে মার্কিন সেনারা ইরানি ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, গোলাগুলি ও বিস্ফোরক ব্যবহার করতে পারেন। ট্রাম্পের পরিকল্পনা এখনো কিনা অনুমোদন পাবে তা স্পষ্ট হওয়া যায়নি।
ট্রাম্প প্রশাসন এখন প্রতিকূল বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছে। একদিকে যুদ্ধ সমাধানের কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট গত মঙ্গলবার বলেছেন, যদি তেহরান পারমাণবিক কর্মসূচি বাতিল না করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হুমকি বন্ধ না করে তাহলে ট্রাম্প তাদের জন্য ‘নরকের দুয়ার খুলে দিবে’।
তবে এই রিপোর্টের ধারণা হল, পেন্টাগনের কাজ হলো সকল প্রকারের তৈরি সংরক্ষণ করতে যাতে প্রেসিডেন্ট প্রয়োজনে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে এর মানে এই নয়, প্রেসিডেন্ট এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, এক মাস ধরে প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় পারস্য উপসাগরে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ দখল করার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালির কাছে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজে হামলা চালাতে সক্ষম ইরানি সমরাস্ত্রগুলো খুঁজে বের করে ধ্বংস করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তাতে প্রেসিডেন্টের পথে আরও এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন রিপাবলিকানদের এক অংশ। সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম খারগ দ্বীপ দখলের পক্ষে মত দিয়েছেন। গত সপ্তাহে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আইও জিমা দ্বীপ দখলের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘আমরা যদি আইও জিমা জয় করতে পারি, তবে এটিও পারব। আমার বাজি সব সময় মেরিন সেনাদের ওপর।’আইও জিমা যুদ্ধে প্রায় ৬ হাজার ৮০০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিলেন। এমন ভয়াবহ যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করায় উভয় দলের আইনপ্রণেতাদের তোপের মুখে পড়েছেন গ্রাহাম।



