ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের নির্বাচনের ফলাফল পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির নুর আহমদ আনোয়ারী। তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফলে নানা অসঙ্গতি রয়েছে এবং প্রকৃত ফলাফল প্রতিফলিত হয়নি।
শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নুর আহমদ আনোয়ারী দাবি করেন, কক্সবাজার-৪ আসনের প্রকাশিত ফল অনুযায়ী তার সঙ্গে বিজয়ী প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান মাত্র ৯২৯। অথচ একই নির্বাচনে মোট ৪,৮৯৯টি ভোট বাতিল ও আপত্তিকৃত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, যা ব্যবধানের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেশি বলে দাবি করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, তার নিয়োজিত নির্বাচনী এজেন্টদের তথ্য অনুযায়ী- বহু কেন্দ্রে সঠিকভাবে সিলকৃত ব্যালট পেপার ভুলবশত বাতিল করা হয়েছে। ভোট গণনার সময় এজেন্টদের পর্যবেক্ষণের পূর্ণ সুযোগ দেওয়া হয়নি। নির্দিষ্ট প্রতীকের বিপক্ষে প্রদত্ত ভোট অস্বাভাবিক হারে বাতিল করা হয়েছে। কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলে গরমিল লক্ষ্য করা গেছে। পোস্টাল ভোট গণনায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি।
তিনি দাবি করেন, তার প্রাপ্ত ভোট গণনায় কম দেখানো হয়েছে এবং এ কারণে ফলাফল নিয়ে গুরুতর সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে তিনি শুক্রবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিতভাবে আবেদন জানিয়ে সকল বাতিল ও আপত্তিকৃত ভোট পুনঃপরীক্ষা ও পুনঃগণনার নির্দেশ, পোস্টাল ভোট পুনরায় যাচাই এবং প্রার্থী ও তার এজেন্টদের উপস্থিতিতে পুনঃগণনার ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির ও কক্সবাজার ৪ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী, জেলা সেক্রেটারি ও কক্সবাজার ৪ আসনের পরিচালক জাহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান আল আমীন মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, অফিস সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শাহজাহান, উখিয়া উপজেলা আমির মাওলানা আবুল ফজল, টেকনাফ উপজেলা আমির মাওলানা রফিকুল্লাহ, উখিয়া উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা নূরুল হক, কক্সবাজার শহর সেক্রেটারি রিয়াজ মুহাম্মদ শাকিল, টেকনাফ পৌরসভার সাবেক মেয়র মুহাম্মদ ইসমাইল ও ইসলামী ছাত্রশিবির কক্সবাজার জেলা সভাপতি আবু তালহা।





সন্দেহ থাকলে দুর করা উচিত