মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংঘর্ষের সময়ে অগ্নিসংযোগের ফলে কক্সবাজারের টেকনাফের একটি কিশোরী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে ৬৪-বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এই তথ্য মিডিয়ার কাছে প্রকাশ করেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভোরের দিকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলি শুরু হয়। ওই সময় সীমান্ত পারের গুলিতে ওই কিশোরী প্রাণ হারান। মেয়েটির পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বিজিবির সূত্রে জানা গেছে, ভোরে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনার পটভূমি তৈরি হয়। ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন এবং সেখানে টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে নাফ নদীর হোয়াইক্যং অংশে মাছ ধরার সময় মো. আলমগীর (৩০) নামে এক বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ হন।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্তের কাছে মাঝে মাঝে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। আজও কিছু রাউন্ড গুলির এবং বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গেছে।’
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমারে আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়ে আরসা গ্রুপের সদস্যরা দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন। রবিবার সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যং লম্বাবিল এলাকায় সাধারণ মানুষ রাস্তা অবরোধ করেছেন। তাদের দাবি, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের জন্য সরকারের তরফে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।





মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সীমান্তবর্তী এলাকায় সংঘর্ষের সময় ছোড়া গুলিতে কক্সবাজারের টেকনাফে এক কিশোরী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আরাকান আর্মির গুলিতে একজনকিশোরী নিহত।
মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংঘর্ষের সময়ে অগ্নিসংযোগের ফলে কক্সবাজারের টেকনাফের একটি কিশোরী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন।