বায়ুদূষণে রোধে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বর্জ্য পোড়ানোর দৃশ্য দেখলে সেই ছবি তুলে পাঠালেই পুরস্কার পাওয়া যেতে পারে বলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা। প্রেস রিলিজে বলা হয়েছে, ছবি দিয়ে কোথাও বর্জ্য পোড়ানোর ঘটনা জানালে climatechange2@moef.gov.bd ঠিকানায় ই-মেইল পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে। ছবির সাথে প্রেরকের নাম, মুঠোফোন নম্বর, ঘটনার স্থান, এলাকার ঠিকানা ও সময় উল্লেখ করতে হবে। প্রতি মাসে বেস্ট ১০ ছবি নির্বাচন করা হবে এবং তাদেরকে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে। এই উদ্যোগে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ করার আশা করা হচ্ছে। এয়ার কোয়ালিটি লাইফ ইনডেক্স বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশিত আয়ুর জন্য বায়ুদূষণ হলো সবচেয়ে বড় বাহ্যিক হুমকি। বাংলাদেশে বাতাসে পিএম ২.৫ কণার ঘনত্ব বেড়েছে এবং এর ফলে মানুষের আয়ু কমেছে। বায়ুদূষণের কারণে শিশুদের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং তাদের প্রবণতা বড়ই বেড়েছে। বিরক্তি, ব্রঙ্কাইটিস এবং অ্যাজমা সমস্যা শিশুদের মধ্যে বেড়েছে। বায়ুদূষণ নিয়ে স্বাস্থ্যবিদেরা বলেন, বায়ুদূষণজনিত রোগে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুরা। ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশের বাতাসে পিএম ২.৫ কণার ঘনত্ব ৬৬ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে এবং এর ফলে মানুষের আয়ু আরও ২ দশমিক ৪ বছর কমেছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম সবচেয়ে দূষিত এলাকা এবং পিএম ২.৫ কণার ঘনত্ব কমানো গেলে মানুষের আয়ু ৬ দশমিক ২ বছর বাড়তে পারে। বায়ুদূষণ কারণে শিশুদের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং তাদের প্রবণতা বড়ই বেড়েছে। বিরক্তি, ব্রঙ্কাইটিস এবং অ্যাজমা সমস্যা শিশুদের মধ্যে বেড়েছে। বায়ুদূষণ নিয়ে স্বাস্থ্যবিদেরা বলেন, বায়ুদূষণজনিত রোগে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুরা। ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশের বাতাসে পিএম ২.৫ কণার ঘনত্ব ৬৬ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে এবং এর ফলে মানুষের আয়ু আরও ২ দশমিক ৪ বছর কমেছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম সবচেয়ে দূষিত এলাকা এবং পিএম ২.৫ কণার ঘনত্ব কমানো গেলে মানুষের আয়ু ৬ দশমিক ২ বছর বাড়তে পারে। বায়ুদূষণ কারণে শিশুদের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং তাদের প্রবণতা বড়ই বেড়েছে।



