দুই দিন আগে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী শীলে এক ঝড়ের কারণে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যায় এবং তারা নিখোঁজ হন। পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যাওয়ার দুই দিন পর পুলিশ বাবা ও ছেলের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।
শুক্রবার ভোরে সাগরের কাকমারা দ্বীপের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়ে দিয়েছেন রাঙ্গাবালী থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম।
নিহতরা হলেন মো. শামীম জোমাদ্দার (৪০) এবং তার ১১ বছর বয়সী ছেলে সিয়াম জোমাদ্দার। তারা উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের চরগঙ্গা বাঁধঘাট বাজারের বাসিন্দা। ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাবা ও ছেলের মৃতদেহের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ সম্পর্কে থানায় একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার রাতের মধ্যবর্তী সময়ে বঙ্গোপসাগরের ‘পাইপ বয়া’ এলাকায় আকস্মিক ঝড়ের কারণে ট্রলাটি ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ছয় জেলের মধ্যে চারজনকে অন্য একটি ট্রলার উদ্ধার করলেও দুজন নিখোঁজ ছিলেন।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন শামীমের বাবা মো. সিদ্দিক জোমাদ্দার (৫৮), মো. শাওন (২৪), মো. রাব্বী (১৮) এবং রাশেদ (২০)। উদ্ধারের পর শাওন সাংবাদিকদের জানান, “২১ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে চরগঙ্গা বাঁধঘাট এলাকা থেকে ‘এফবি সিদ্দিক’ নামের ট্রলার নিয়ে আমরা ছয়জন সাগরে ইলিশ মাছ ধরতে বের হয়েছিলাম। দুই দিন পরে বুধবার রাতে পাইপবয়া এলাকায় ট্রলারটি নোঙ্গর করে আমরা সবাই ঘুমিয়ে পড়ি।
“গভীর রাতে হঠাৎ সাগরে ঝড় ওঠে এবং ঢেউয়ের ধাক্কায় ট্রলারের নিচের অংশ ফেটে পানি প্রবাহিত হতে শুরু করে। এক সময় ট্রলারটি উল্টে গেলে আমরা সাগরে ভাসতে শুরু করি। এই সময় আমরা ভাসতে ভাসতে অন্য একটি ট্রলারে আশ্রয় নিলাম। তবে শামীম এবং সিয়ামকে খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি।”





পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ট্রলার ডুবে নিখোঁজের দুই দিন পর বাবা-ছেলের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: নিখোঁজ বাবা-ছেলের লাশ উদ্ধার