শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌরসভার উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মিত ড্রেনটি এখন জলবদ্ধাতায় গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিনিয়ত বিষাক্ত ময়লা,আবর্জনা ড্রেনে ফেলার কারণে সুবিধার পরিবর্তে এখন ড্রেনটি জনদুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণের পর একবার ড্রেনটি পরিষ্কার করা হয়েছে। এরপর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবে ড্রেনটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এছাড়া ড্রেনের ওপর ঢাকনা বা স্ল্যাব না থাকায় গবাদি পশু সেখানে পড়ে যায়। নির্মানের সময় ড্রেনের কয়েকটি স্থানে ঢাকনা দেওয়া হলেও, সংরক্ষণ অভাবে তা আর নেই।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ৫ বছর আগে কোটি টাকা ব্যয়ে শহরের কাচারিপাড়া মহল্লা থেকে তারাগঞ্জ উত্তর বাজার হয়ে গড়কান্দার সাহাপাড়া মহল্লা পর্যন্ত জলবায়ু পরিবর্তণ প্রকল্পের আওয়াতায় ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে ছয় ফুট প্রশস্ত করে দুই পাশে রাস্তা নির্মাণ করা হয়। ৬ ফুট প্রশস্ত ও দুই পাশে রাস্তা নির্মাণ করায় এলাকাবাসির চলা চলে সুবিধা হয়। এছাড়া ড্রেনের দুই পাশে রেলিং নির্মাণ করে দেওয়া ড্রেনটি নানন্দনিক রুপ নেয়। তৎকালিন মেয়রের বিশেষ ক্ষমতায় প্রাকৃতিক ঝিল ধ্বংস করে ড্রেনটি করা হয়। তখন থেকেই মেয়র ড্রেনটি ঝিল নামে নামকরণ করা হয়।
নালিতাবাড়ী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর সভার প্রশাসক রেজওয়ানা আফরিন শিগগিরই ড্রেন পরিষ্কারসহ সংক্ষরণে উদ্যোগে নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।




