সন্তানদের ক্যারিয়ার নিয়ে সব সময় ইতিবাচক ছিলেন জসীম। সন্তানদের ক্যারিয়ার নিয়ে স্ত্রীকে দেওয়া উপদেশে জসীম বলেছিলেন, ওরা ওদের ভবিষ্যৎ বেছে নেবে
বিনোদন প্রতিবেদক
ঢাকা
প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬: ০০
গত বছরের ২৭ জুলাই এক দুর্দান্ত ঘটনায় জিমে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন রক ব্যান্ড ওন্ড-এর ভোকালিস্ট, বেজিস্ট এবং শব্দপ্রকৌশলী এ কে রাতুল।
তিনি ছিলেন প্রিয় চিত্রনায়ক জসীমের মেজ ছেলে। উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী চিত্রনায়িকা নাসরিন, দুই ছেলে সংগীতশিল্পী এ কে সামী এবং এ কে রাহুল এবং পরিবারের অন্য কাছের মানুষজন।
একটি অনুষ্ঠানে জসীমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছিল এবং রাতুলের স্মৃতির প্রতি স্মরণ জাগিয়ে দেয়া হয়েছিল এই সংগীতশিল্পীর জীবনে।নায়ক জসীমের স্মৃতি তুলে ধরতে পারেননি তাঁর সন্তান নিয়ে, তিনি নেওয়ার ছিলেন জসীমের স্মৃতি।
জসীম ৪৮ বছর বয়সী হন। তিনি ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবরে মারা গেছেন। তাঁর বড় ছেলে সামীর ৮ বছরের, মেজ রাতুলের চার বছর এবং ছোট রাহুলের বয়স দুই বছর। জসীমের তিন ছেলে অভিনয়ে নাম লেখেননি, তারা সংগীতজগতে কাজ করছেন।
মেজ রাতুল ‘ওন্ড’ ব্যান্ডে ড্রামার এবং ভোকালিস্ট হিসেবে যুক্ত আছেন, ছেলে সামী ‘ওন্ড’ ব্যান্ডে কাজ করছেন।জসীম সন্তানদের ক্যারিয়ার নিয়ে সব সময় মতামত দিতেন। তিনি বলেছিলেন, সন্তানরা ওরা নিজেদের ভবিষ্যৎ চয়ন করবে। তার স্ত্রী নাসরিন বলেছিলেন, ছেলেরা যেকোন পেশা চয়ন করতে পারে,
তিনি ওদের পছন্দ করার স্বাধীনতা দিতে চান। নাসরিন মনে করেন, তাঁর সন্তানরা গানের প্রতি আগ্রহী। পিতার প্রভাবে তাঁরা মিউজিক শুনতে ভালোবাসে।
শুটিং শেষে জসীম সন্তানদের সাথে মেতে থাকতেন। তবে অনেক সময় তাঁদের ঘুমে রেখে বের হতেন এবং বাসায় ফিরে ঘুম পেতেন। স্ত্রীকে প্রায়ই বলতেন,
“দেখো, আমার বাচ্চারা একদিন নাম করবে।” স্মৃতিচারণা করে নাসরিন বলতেন, “ওর আব্বু অনেক সময় বলত, ‘আমি চাই আমার ছেলেরা যখন বড় হবে, তখন আমার এই শার্টটা বা স্যুটটা পরতে পারবে, এই জুতাটা পরবে।'”
দেখো, ওরা একদিন অনেক নাম করবে।অনুষ্ঠানে প্রয়াত মেজ ছেলে রাতুলকে নিয়ে বলতে গিয়ে নাসরিন বলেন, “আপনি সব সময় আমার সাথে থাকতেন, আমাকে সব সময় বেশি সময় দিতেন। আপনার কোনো তুলনা নেই, আপনি যে আমার কত প্রিয় সেটা কী বলব! আমি আজ কত দিন আপনার বাবার দেখি না।”



