আজকে বিদায় দিতে চাইনি: মেট্রো দুর্ঘটনায় নিহতের স্ত্রী

  • মেট্রো লাইনের বিয়ারি প্যাড খুলে পড়ে প্রাণ হারানো আবুল কালামের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়েছে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের পরিবেশ।৩৬ বছর বয়সী কালামের স্ত্রী আইরিন আক্তার পিয়া রবিবার বিকালে মর্গের সামনে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন।এক ছেলেকে কোলে নিয়ে তিনি বারবার বলছিলেন, “আজকে (কালামকে) আমি বিদায় দিতে চাইনি। দরজা লাগাতেও যাইনি। আমার বাচ্চাদের কী হবে?”এই দিন বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় মেট্রো লাইনের বিয়ারিং প্যাড খোলে পড়ে ৩৬ বছর বয়সী আবুল কালামের মৃত্যু হয়। তিনি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ঈশ্বরকাঠি এলাকার জলিল চোকদারের ছেলে।নিহতের ভাগ্নে শাহাদাত মর্গের সামনে বলেন, নিহত আবুল কালাম ট্রাভেল এজেন্ট হিসেবে এয়ার টিকেট বিক্রির কাজ করতেন। তার তিন ও চার বয়সী দুটো ছেলে রয়েছে; পরিবার নিয়ে থাকতেন নারায়ণগঞ্জে।

তেজগাঁও থানার ওসি মোবারক হোসেন জানান, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের সামনের ফুটপাতে হেঁটে গিয়ে আবুল কালাম যাচ্ছিলেন।

এমন সময়ে উপর থেকে বিয়ারিং প্যাড পড়লে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান।কম্পন প্রতিরোধের জন্য সেতু বা উড়াল সেতুতে ইলাস্টোমোরিক বিয়ারিং প্যাড বসানো থাকে। এ প্যাড নিওপ্রেন বা প্রাকৃতিক রাবার দিয়ে তৈরি, যা পিয়ার ও ভায়াডাক্টের সংযোগস্থলে বসানো হয়। প্যাডে কয়েকটি স্টিল কাঠামো থাকে, যা ওজনে ভারী।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই প্যাড পড়ে একজন মারা যাওয়ার পাশাপাশি ফুটপাতে একটি চায়ের দোকানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর একই লাইনের খামারবাড়ি এলাকায় একটি বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়লে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ট্রেন চলাচল ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকে.

3 thoughts on “আজকে বিদায় দিতে চাইনি: মেট্রো দুর্ঘটনায় নিহতের স্ত্রী”

  1. অনাকাঙ্খিত মৃত্যু। পরিবারের প্রতি সমবেদনা রইলো।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top