গুলিতে নিহত সাদ্দামের লাশ নিয়ে থানায় এলাকাবাসী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কান্দিপাড়ায় চাঞ্চল্যকর সাদ্দাম হোসেন হত্যাকাণ্ডের বিচারে নিহত ব্যক্তির লাশ নিয়ে মিছিল করেছিলেন এলাকাবাসী। সুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের প্রধান সড়কে এই মিছিল করেন। পরে এলাকাবাসী লাশ নিয়ে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কমপক্ষে তিন ঘণ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় অবস্থান করেন।এলাকাবাসীর দাবি, থানায় মামলা নথিভুক্তসহ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা মোস্তফা কামাল মস্তু বাদী হয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলীপকে প্রধান আসামি করে সাত জনের নাম উল্লেখ করেন। এ ছাড়া আরও ৫/৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় মামলাটি করা হয়।মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বাবুল মিয়া, সাদিল মিয়া, পলাশ মিয়া, টিটন মিয়া, বাপ্পা মিয়া ও কাজল মিয়া। এ ব্যাপারে আনোয়ার পাঠান জানান, মাদকের ঝামেলা নিয়ে রাত দেড়টার দিকে ভালো ছেলেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার জন্য পুরো গ্রামবাসী এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চায়।তিনি এই হত্যাকাণ্ডের জন্য জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলীপকে দায়ী করেন।

এ বিষয়ে কান্দিপাড়া মাইমল পাড়ার বাসিন্দা সামিল মিয়া বলেন, আমরা হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে থানায় এসেছি। হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করছি।এদিকে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত সমযের মধ্যের মধ্যে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাশাপাশি দ্রুত সময়ের মধ্যে অস্ত্র উদ্ধারসহ আসামিদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পূর্ব বিরোধের জেরে শহরের কান্দিপাড়া মাদ্রাসা রোডে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলীপ গ্রুপকে লক্ষ্য করে স্থানীয় লায়ন শাকিল গ্রুপ গুলি বিনিময় করেন। এ সময় লায়ন শাকিলের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন দিলীপ গ্রুপের অনুসারীদের ওপর গুলি চালায়। এতে তিন জন গুলিবিদ্ধ হন। পরে মধ্যরাতে কান্দিপাড়া নিজ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সাদ্দাম হোসেনকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

1 thought on “গুলিতে নিহত সাদ্দামের লাশ নিয়ে থানায় এলাকাবাসী”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top