অ্যামনেস্টির উদ্বেগ আমলে নেওয়া জরুরি
প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশে অনলাইন অপতথ্য, ত্রুটিপূর্ণ বা আবেগমূলক কনটেন্ট এবং এর প্রভাব বাস্তব জীবনে সংঘটিত সহিংসতা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল চিন্তা প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বলেছে, যদি ফেসবুকের মাতৃসংস্থা মেটা বাংলাদেশে ক্ষতিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক দক্ষতা দেওয়া না করে, তাহলে দেশে গম্ভীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি থাকতে পারে। এই উদ্বেগ প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য নয়, তবে আমরা কিছু বছরের মধ্যে এই ধরনের ঘটনাগুলি দেখে আসছি।
এমন একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে যেখানে একটি ধৈর্যশীলতাহীন চালাকির উভয় জনগণের উপস্থিতি সম্পর্কে। ২০২৫ সালের শেষে দুটি প্রধান সংবাদমাধ্যম, প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার, হেরেছেন মানবিক চর্যার কার্যালয়ে হামলা পূর্ববর্তী কয়েক মাস থেকে দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ‘বিচ্যুতি’ এবং ‘হামলার আবেগ’ প্রকাশিত হয়েছিল। যখন কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতি লক্ষ্য করা হয়, তখন ফেসবুকের নিজস্ব অ্যালগোরিদম এই প্রবৃদ্ধির বাহক হয় এবং ঐ উত্তেজনাকর কন্টেন্টটি আরও অধিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। এর ফলে অনলাইন ঘৃণা দ্রুতই রাজপথে মনোযোগের উপায়ে পরিণত হয়।
সর্বপ্রথম, যে বিষয়ে সবচেয়ে উদ্বেগীতা অনুভব করা হয়, তা হল এই উস্কানিমূলক কন্টেন্টের একটি প্রধান অংশ যা দেশের বাইরে, সবচেয়ে বেশি ভারত থেকে আসছে। রাজনীতিক অস্থিরতা, সাম্প্রদায়িক বিভাজন এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে ছড়িয়ে পড়া, এই ভাবে অপতথ্য জননিরাপত্তার জন্য একটি বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তবে, মেটা এবং ফেসবুকের কর্তৃপক্ষের এই সমস্যার সাথে তাদের ত্বরিত পদক্ষেপের সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছিল, তবে এটি যথার্থতার পর্যায়ে বারবার পর্যালোচনা করা হচ্ছে। অ্যামনেস্টি আলোচনা করেছে যে, ডিজিটাল বিশ্বে এই ক্ষতি শুধুমাত্র পর্দার ভিতরেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বিষাক্ত করে, এবং বাস্তব জীবনে প্রাণহানি এবং অস্থিরতা তৈরি করে।
আমরা মনে করি, মুনাফার দিকে নজর না দিয়ে, অবশ্যই বাংলাদেশের মতো সংবেদনশীল বাজারের জন্য তাদের মডারেশন ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে। স্থানীয় ভাষা, রাজনীতি ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বোঝান—এমন দক্ষ জনবল নিয়োগের মাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট শনাক্ত ও দ্রুত অপসারণ নিশ্চিত করা তাদের নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব। একই সঙ্গে, বাংলাদেশ সরকারকেও কেবল নিয়ন্ত্রণের দিকে না তাকিয়ে ডিজিটাল লিটারেসি বা অনলাইন সচেতনতা বাড়াতে কাজ করতে হবে।
অনলাইনে ঘৃণা যখন মানুষের ঘরে প্রবেশ করে, তখন এটি একটি বড় সমস্যা তৈরি করে। সময় যতটা না থাকুক তাও মানুষের কাছে কঠিনতা বৃদ্ধি করতে হবে। নতুন সুযোগ আসতে পারে না। এতে মানবাধিকারের লঙ্ঘন বাড়তে পারে। এই সমস্যার সমাধানে নীতিনির্ধারকদের সহায়ক ভূমিকা হতে পারে। আইন প্রণোদনের জন্য এই বিষয়ে আলাপ করা জরুরি।



