
আগের ম্যাচের মতো, এবারও রান তাড়া করতে পারেননি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দল। প্রতিপক্ষের ১০ উইকেট তারা তুলে নিয়েছিল ঠিকই। কিন্তু আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব–১৯ দল এর আগেই স্কোরবোর্ডে যোগ করে ফেলে ২৫৮ রান। টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় লক্ষ্যের ধারেকাছেও যেতে পারেননি যুবারা। হারে গেল ৪৭ রানে।
আজ চতুর্থ যুব ওয়ানডেতে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪০ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। হারের শঙ্কা তখন উঁকি দিয়েছিল। দ্রুত আউট হওয়া ছয় ব্যাটসম্যানের চারজনই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। যাঁরা পেরিয়েছেন, সেই দুজনের (রিফাত বেগ ও জাওয়াদ আবরার) অবদান ১০ রান করে।
বাংলাদেশের ইনিংস মূলত টেনেছেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও দেবাশীষ সরকার। দুজনের ১০৮ রানের জুটিতে বাংলাদেশ কিছুটা লড়াই করে। কিন্তু আবদুল্লাহ–দেবাশীষ জুটিতে রান তোলার গতি ছিল কম, প্রয়োজনীয় রান রেটের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি তাঁরা।
৬১ বলে ৫১ রান করে নুরিস্তানি ওমরজাইয়ের বলে ক্যাচ তুলে দেবাশীষ আউট হয়ে যান। ম্যাচ জয়ের আশা শেষ হয়ে গেলেও সেঞ্চুরির দিকে ছুটছিলেন আবদুল্লাহ। তবে যুব ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরিটি পাওয়া হয়নি তাঁর। ম্যাচ শেষ হওয়ার দুই বল আগে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে নাজিফউল্লাহ আমিরির বলে স্টাম্পড হয়ে যান আবদুল্লাহ। ১৬০ বলের ইনিংসে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৯৫ রান করেন তিনি।
এর আগে আফগানিস্তানের ইনিংসে দাপট দেখান বাংলাদেশি পেসার ইকবাল হোসেন। ৯.৩ ওভার বল করে ৫১ রানে নেন ৬ উইকেট, যা তাঁর ক্যারিয়ারসেরা।
তবে এর আগে ফয়সাল খানের ১১২ ও উজাইরউল্লাহ নিয়াজাইয়ের ৭২ রানের ইনিংসে ভর করে ম্যাচ জেতার মতো সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে ফেলে আফগান যুবারা। ফয়সাল আগের ম্যাচেও সেঞ্চুরি করেছিলেন।
আফগানিস্তান এখন ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে যাচ্ছে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে। বগুড়ায় প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ যুবারা ডিএলএস পদ্ধতিতে জিতার পর দ্বিতীয়টি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়। এরপর রাজশাহীতে ঘুরে দাঁড়িয়ে সফরকারীরা জিতল টানা দুই ম্যাচ।
আগামী রোববার রাজশাহীতেই সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ খেলা হবে। আজকের হারে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে। আজিজুল হাকিমের দল শেষ ম্যাচ জিতলে সিরিজ ড্র করতে পারে কি না, সেটাই দেখার অপেক্ষা।
সংক্ষিপ্ত স্কোরআফগানিস্তান অনূর্ধ্ব–১৯ দল: ৪৯.৩ ওভারে ২৫৮ অলআউট (ফয়সাল ১১২, উজাইরউল্লাহ ৭২; ইকবাল ৬/৫১, সাদ ২/৬২)।



har jit acei
খেলোয়ার রে