নোয়াখালী থেকে সিলেটের দূরত্ব প্রায় ৩০০ কিলোমিটার। এই লম্বা পথে পাড়ি দিয়েই বাস ভরে মানুষ এসেছেন নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে সমর্থন দিতে। প্রতি ম্যাচেই অবশ্য তাঁদের ফিরতে হচ্ছে হতাশা নিয়ে।নোয়াখালী এক্সপ্রেস এবারের বিপিএলে টানা ৬ ম্যাচে হেরেছে। আজকে প্রথম ব্যাট হাতে ধরে তারা দেড় শ পেরিয়েছিল। কিন্তু রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে ৪ উইকেট হেরে গেছে তারা। সমর্থকদের মন খারাপ বুঝতে পারছে নোয়াখালীর ক্রিকেটার সৌম্য সরকারও।রাজশাহীর বিপক্ষে আজ ফিফটি করা এই ব্যাটসম্যান ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘তাদের জন্য খারাপ লাগে। আমাদের খারাপ লাগাটা তাদের দেখতে খুব মাথা না খাওয়ার প্রস্তাব করছে। আমরা চেষ্টা করছি তাদের খুশি করার জন্য, কিন্তু ব্যর্থ হচ্ছি। তাদের কাছে আমরা সরিই বলব যে তারা এত কষ্ট করে খেলা দেখতে আসে; কিন্তু আমরা জিততে পারছি না।’নোয়াখালী এক্সপ্রেস বিপিএলে প্রথমবারের মতো খেলছে। ৬ ম্যাচের সবগুলোতেই হেরে যাওয়ায় দলটির প্লে অফে খেলার সম্ভাবনা এখন নেই। যদিও প্লে অফের ব্যাপারে কোনো আলোচনা নেই, একটা ম্যাচ জিতা নোয়াখালীর জন্য মূল আটক। সৌম্যও ভাবছেন জয়ের কথাই। তিনি বলেছেন, ‘এখন মূল চিন্তা একটা ম্যাচ জেতার জন্য। প্রথমে জেতার ছন্দ ধারণ করতে হবে। তারপরেরটা পরে চেষ্টা করা যাবে।’কেন এমন ব্যর্থতা? সেই কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সৌম্য বলেছেন, ‘আমাদের ব্যাটসম্যানরা প্রকৃতপক্ষে ক্লিক করতে পারেনি। প্রতি ম্যাচেই পাওয়ার প্লেতে ৩টা করে উইকেট হারিয়েছে। রান না হওয়ার এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ।’সৌম্য আরও বলেন, ‘শেষ কয়েকটা ম্যাচে আমি খেলেছিলাম, দেখেছি সবাই একটা ম্যাচ জিতার জন্য খুব উৎসাহিত। সবাই চেষ্টা করছে এবং সবাই জিতার চেষ্টা করছে; কিন্তু হয়তো কোনো কারণে আমরা ক্লিক করতে পারছি না।’


