আসন্ন সংসদ নির্বাচনে জয়ী হলে তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নিরাপদ সমাজ গঠনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী জোনায়েদ সাকি।
মাথাল প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগে অর্জিত বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনের মাধ্যমে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে।
শুক্রবার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছলিমাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক আরও বলেন, ‘বিএনপির নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে বাঞ্ছারামপুরের দীর্ঘদিনের অবহেলিত দাবিগুলো জাতীয় পর্যায়ে জোরালোভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে। এ নির্বাচন কোনো ব্যক্তির নয়, এটি বাঞ্ছারামপুরবাসীর নির্বাচন। সবাই সুশৃঙ্খলভাবে ভোট দেবেন এবং অন্যদেরও ভোটদানে উৎসাহিত করবেন।’
সাকি শিশু ও নারীর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে এলপিজি গ্যাস সরবরাহ, খেলাধুলার উন্নয়নে প্রতিটি গ্রামে খেলার মাঠ নির্মাণ ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ বিশ্বে টিকে থাকতে তরুণদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং তরুণদের সমাজ ও রাষ্ট্রগঠনে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
কৃষক, শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি জোরদার, ধর্মীয় ব্যক্তিদের ভাতা প্রদান এবং মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়ে বলেন, ‘হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করে বাঞ্ছারামপুরকে একটি শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য এমএ খালেক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সালে মূসাসহ, উপজেলা বিএনপি কৃষক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল এবং কেন্দ্রীয় গণসংহতি আন্দোলন ও উপজেলা গণসংহতি আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।


