বাগেরহাটের রামপালে অবস্থিত মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট আগামী ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে।
গত মাসে এই কেন্দ্র ৬৪০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১১.৫ শতাংশ। বাংলাদেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫ হাজার ৫৩১ মিলিয়ন ইউনিট হয়ে থাকে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করেন মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্টের অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের এ সাফল্য পূর্বের মাসেও ছিল, যা কেন্দ্রটির নিয়মিত এবং স্থিতিশীল উৎপাদন সক্ষমতার সম্পূর্ণ প্রমাণ। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কয়লা সরবরাহ ব্যবস্থা বর্তমানে অনেক উন্নত। বিগত দুই মাসে প্রায় ৮ লক্ষ মেট্রিকটন কয়লা উন্মুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে এখানে প্রায় ২ লক্ষ টন কয়লা মজুত রয়েছে।
এটি আশা করা হচ্ছে যে, আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না। বাংলাদেশের সাথে ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এই প্রকল্পে আমদানিকৃত কয়লার ব্যবহার চলমান রয়েছে এবং আল্ট্রা-সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির ব্যবহার বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং দূষণ কমায়।
পরিবেশের সুরক্ষার জন্য এখানে রয়েছে- ফ্লু-গ্যাস ডি-সালফারাইজেশন, ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর, ২৭৫ মিটার উচ্চতার চিমনি, ক্লোজড-সাইকেল কুলিং ব্যবস্থা, এবং জিরো লিকুইড ডিসচার্জ সিস্টেম।




বাগেরহাটের রামপালে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্টে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতীয় গ্রিডে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে। গত মাসে ৬৪০মিলিয়ন ইউনিট (গট) বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে এই কেন্দ্র। যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১১.৫ শতাংশ, দেশে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ৫ হাজার ৫৩১ মিলিয়ন ইউনিট।
সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন রামপাল কেন্দ্রে।
বাগেরহাটের রামপালে অবস্থিত মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট আগামী ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে।