চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক এবং কার্যকরভাবে পরিচালনা করার লক্ষ্যে ১২টি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণ করছে। এর অংশ হিসেবে সদরঘাট থানার পাশে একটি নতুন এসটিএস খোলা হয়েছে।
রবিবার দুটি এসটিএস-এর উদ্বোধন করেন চসিকের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ও অন্যান্য কর্মকর্তারা।
মেয়র উদ্বোধনী বক্তৃতায় উল্লেখ করেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতার প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত ও জনবান্ধব করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এই এসটিএস স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে ওয়ার্ড ভিত্তিক বর্জ্য সংগ্রহ পয়েন্ট থেকে সংগৃহীত বর্জ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষিত হবে, বাছাই করা হবে এবং সেগুলি বৃহৎ পরিবহন যানে তুলে চূড়ান্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকেন্দ্রে পাঠানো হবে। এটি পরিবহন খরচ কমাবে এবং শহরের রাস্তা ও আবাসিক এলাকায় ময়লার চাপ হ্রাস করবে।
মেয়র জানিয়ে দেন, সদরঘাট ছাড়াও কাজীর দেউড়ি বিএনপি কার্যালয় এলাকা, কাতালগঞ্জ, নাসিরাবাদ, মোহরার খেজুরতলা, দামপাড়া শিল্পকলা একাডেমি, দক্ষিণ বাকলিয়াসহ নগরীর ১২টি স্থানে পরবর্তী পর্যায়ে এই বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রগুলি প্রতিষ্ঠা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্জ্য এমনভাবে সংরক্ষণ এবং পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষের নজরের বাইরে থাকে। মানুষের সাহচর্যে কোনো কিছুর উপস্থিতি দুর্গন্ধের অনুভূতির বৃদ্ধি ঘটাতে পারে, সেই শারীরবৃত্তীয় বিষয়টিকে লক্ষ্য রেখে পরিকল্পনা করা হয়েছে।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গত দুই থেকে আড়াই দশকে প্রথমবারের মতো চসিক সাতটি ব্যাকহোল লোডারসহ বড় আকারের যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করেছে। পরিচ্ছন্নতাকে আরও ত্বরান্বিত করতে ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ক্রয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম শহর আরও পরিচ্ছন্ন ও বসবাসের উপযোগী করা সম্ভব হবে।




চট্টগ্রাম নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও কার্যকর করতে ১২টি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এর অংশ হিসেবে সদরঘাট থানার পাশে একটি এসটিএস উদ্বোধন করা হয়েছে।
খুব ভালো উদ্যোগ