আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও জাল ভোটের ঘটনা প্রতিরোধের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি নির্দেশনা জারি করেছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভূয়া পরিচয় ব্যবহার করে ভোট দেওয়া, অপহরণ, বলপ্রয়োগ বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অস্ত্র বা শক্তি দেখানো বা প্রয়োগ করা, ভোটের দিন ভোট কেন্দ্র থেকে ৪০০ গজের মধ্যে canvass করা, বিশৃঙ্খল আচরণ, অবৈধ হস্তক্ষেপ, এবং ভোটগ্রহণের গোপনীয়তার উপর হস্তক্ষেপের মতো আইন বিরোধী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে রোধমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার, নির্বাচন পরিচালনা-২ শাখার সহকারী সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরিত সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে।
উল্লেখিত নির্দেশনায় বলা হয়, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফলভাবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রার্থীদের দ্রুততার সঙ্গে এক সভায় অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানালেও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সুনিশ্চিত করতে হবে। এ সভায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের, তাদের নির্বাচনি এজেন্ট এবং পোলিং এজেন্টদের রাজনৈতিক দলের আচরণবিধি, ২০২৫ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুসারে করণীয় ও দায়িত্বগুলি পালন করতে হবে, এবং নির্বাচনের খরচের উৎস ও বিবরণ সঠিক সময়ে জমা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হবে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ভয় দেখানো, বল প্রয়োগ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জামের ব্যবহার বন্ধে সহযোগিতার জন্যও আলোকপাত করা হবে।
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও জাল ভোট প্রতিরোধে সহায়তা
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সকল কার্যক্রমকে সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করার জন্য দুর্নীতি, অবৈধ কার্যকলাপ, উৎকোচ গ্রহণ, ভূয়া পরিচয়ে ভোট দেওয়া, অপহরণ, বলপ্রয়োগ, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অস্ত্র ও শক্তি প্রদর্শন কিংবা প্রয়োগ, ভোট গ্রহণের দিনে ভোট কেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে canvass করা, বিশৃঙ্খল আচরণ, অবৈধ হস্তক্ষেপ এবং ভোটের গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তি যেন উল্লেখিত অপরাধমূলক কাজ করতে না পারে, তার জন্য নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করতে এবং সতর্কতার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রার্থীরা অনুরোধ জানাবেন। একইসঙ্গে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ধারা ৭৩ থেকে ৮৭ পর্যন্ত উল্লেখিত শাস্তির বিধান ও করণীয় বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হবে।




আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ ও জালভোট প্রদান রোধে ব্যবস্থা গ্রহণে পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।