সুপ্রিম কোর্ট দুর্নীতির বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ শূন্য সহিষ্ণুতা (জিরো টলারেন্স) নীতি গ্রহণ করেছে। যদি সুপ্রিম কোর্টের কোন কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ মেলে, তাহলে সংশ্লিষ্ট নিয়মের ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এই তথ্য প্রধান বিচারপতির নির্দেশে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী কর্তৃক স্বাক্ষর করা একটি অফিস আদেশে জানানো হয়েছে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের কর্মচারীদের উপস্থিতি ও প্রস্থান, নির্দিষ্ট ডেস্কে কার্যকালীন উপস্থিতি এবং পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পোশাক ব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং তদারকি বিষয়ক নির্দেশনা রয়েছে।
‘দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সততা’ বিষয়ক সূত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। সেবা রক্ষকদের সাথে কোনরকম আর্থিক লেনদেন বা অযৌক্তিক সুবিধা গ্রহণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। যদি কোন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ’ বিষয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট (হাইকোর্ট বিভাগ) বিধিমালা, ১৯৭৩ (১২ নভেম্বর, ২০১২ সালে সংশোধিত) অধ্যায়-১৬এ-এর বিধি ৩ এর দফা ৪ অনুযায়ী, আদালতের প্রাঙ্গণ বা আদালত ভবনের কোন অংশে কোন ব্যক্তি, তিনি আইনজীবী, আইনজীবী সহকারী বা আদালতের কর্মী বা অন্য কাউকে, মিছিল, স্লোগান, প্রচার, সভা বা প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার অনুমতি নেই।
সুপ্রিম কোর্টের এলাকায় বৈধ বা অবৈধ কোন ধরনের অস্ত্র, মারাত্মক যন্ত্রপাতি, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্যের বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তথাসরাসংগত নিরাপত্তা এবং যানবাহন ব্যবস্থাপনার কারণে নির্ধারিত পার্কিং এলাকায় ব্যতীত রাস্তা ও ভবনের প্রবেশপথে গাড়ি এবং রিকশা পার্ক করা সম্পূর্ণভাবে নিষেধ। বুধবার উক্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়।




সুপ্রিম কোর্ট দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা (জিরো টলারেন্স) নীতি অবলম্বন করে। সুপ্রিম কোর্টের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে, সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দুর্নীতির প্রমাণ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার ঘোষণা সু্প্রিম