দরপত্র বিনা ছাড়া র্যাবের ৩টি জিপ, ১০০টি প্যাট্রল পিকআপ এবং ৬০টি মাইক্রোবাস কিনতে সরকারি নির্ধারণ হয়েছে। ‘র্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় রাষ্ট্রীয় সংস্থা প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে উল্লেখিত গাড়িগুলি কিনবে।মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন প্রাপ্ত হয়।বৈঠকে উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান সাংবাদিকদের জানান, র্যাবের জন্য ৩টি জিপ, ১০০টি প্যাট্রল পিকআপ এবং ৬০টি মাইক্রোবাস উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির পরিবর্তে সরাসারি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার নির্ধারণ হয়েছে।সরকারি ক্ষেত্রে টাকার ব্যবহার সরকারি কাজের জন্য করা হচ্ছে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন।জানা গেছে, ‘র্যাব ফোর্সেস এর আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় ৩টি জিপ, ১০০টি প্যাট্রল পিকআপ এবং ৬০টি মাইক্রোবাস উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার প্রস্তাব উঠেছে।নির্বাচনের আগে এই গাড়িগুলি প্রাপ্তির সম্ভাবনা বুঝতে হলে নিয়মমুক্ত সময় লাগবে বলে তা জানিয়েছেন নাসিমুল গনি। তিনি বলেন, আজকে কেবলমাত্র অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, প্রক্রিয়ার পরে কিনা আসবে সে সম্ভবত আরও সময় নেবে। পরিপূর্ণ বিনামূল্যে আনুষ্ঠানিক নিষ্পত্তি হয়েছে। পরে নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার পর তারা অর্ডার করা হবে এবং তারপর জাপান থেকে যন্ত্রাংশ আনা হবে।বৈঠকে প্রকল্পে দরপত্র বিনা ৩টি জিপ, ১০০টি প্যাট্রল পিকআপ এবং ৬০টি মাইক্রোবাস (এসি) ক্রয় করার প্রস্তাব অনুমোদন প্রাপ্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এই প্রকল্প আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে র্যাবের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।বৈঠকে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রয়োজন হবে মূলত ৩টি জিপ, ১০০টি প্যাট্রল পিকআপ এবং ৬০টি মাইক্রোবাস (এসি)। এই কারণে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় গাড়িগুলি কিনা হয়েছে।এই প্রকল্পে র্যাবের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গাড়ি ক্রয় নির্ধারণ করা হয়েছে এবং উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি তা অনুমোদন করেছে।




আলহামদুল্লিহা