রমজান মাসে কেন মুখের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে

প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬

রমজানে আমাদের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন হয়। খাওয়ার সময় শেষ হলে, সাহরীর পরে অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করে ঘুমাতে হবে। ইফতারের পর একবার দাঁত ব্রাশ করা ভালো। ইফতার বা সাহরীর সময় মিষ্টি খাবার যেমন জিলাপি, রসগোল্লা, রসমালাই বা চিনিমিশ্রিত শরবত খাওয়া হয়; তাই পরে অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করে নিতে হবে, না হলে মিষ্টির শর্করাজাতীয় উপাদান দাঁতের এনামেলকে ক্ষয় করতে পারে।

রোজার সময় অভুক্ত থাকার ফলে অনেক সময় মুখে দুর্গন্ধ হয়। অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক, নাক, কান বা গলায় জ্বালা, জিবের খাদ্যের প্রলেপ দেওয়া, এই সমস্যা গুলির মধ্যে থাকা যায়।

ইফতারে ভাজাপোড়া খাবারের সঙ্গে অনেকেই পেঁয়াজ, রসুনও অধিক পরিমাণে খেয়ে থাকেন। এই খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। আর অভ্যাস করতে হবে টাটকা ফল ও সালাদজাতীয় খাবার খাওয়ার।সাহারির পর কুলকুচি করে নিয়ে ডেন্টাল ফ্লসের সাহায্যে প্রতিটি দাঁতের মধ্যবর্তী অংশ থেকে সূক্ষ্ম খাদ্যকণা বের করে আনতে হবে। ক্লোরহেক্সিডিন-জাতীয় মাউথওয়াশ ব্যবহার করে কুলকুচি করুন।দাঁত ব্রাশ ছাড়াও প্রতিদিন দুবেলা দাঁত ব্রাশের পর জিবছুলার সাহায্যে জিব পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে ৩-৪ মিনিট ব্রাশের সাহায্যে সব দাঁতকে পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলতে হবে.

রোজার সময়ে দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম সবার জন্যই ঠিক নয়। এতে দাঁতে খাবার জমে মাড়িতে সমস্যা হয়। তাই ইফতার ও সাহরির পরে দাঁত ব্রাশ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন সি স্বল্পতার কারণে মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে পারে। ইফতারে লেবুর শরবত, জাম্বুরা, কমলালেবু, কামরাঙা, আমড়া, মাল্টা, আমলকী, আনারস খেতে পারেন যেগুলি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এর আগে গাজর, শসা, টমেটো, লেটুসপাতা ইত্যাদির সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়া যায়।দেহের অন্যান্য রোগ বা শারীরিক সমস্যার কারণেও মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে পারে। রক্ত পরীক্ষা করে কারণ নিশ্চিত করা জরুরি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মাড়িতে ডেন্টাল প্লাক থাকায় প্রদাহ হতে পারে, তাই একজন ডেন্টিস্টের সাথে যোগাযোগ করে ডেন্টাল স্কেলিং করাতে হবে।

1 thought on “রমজান মাসে কেন মুখের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top