প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬
যুদ্ধবিরতির সময়েও ইসরায়েলি সেনাবাহিনী লেবাননে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শনিবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসরায়েলি হামলার ফলে মোট ৩৯ জন মানুষ মারা গেছেন, যার মধ্যে শিশুও রয়েছে। হামলার জন্য আত্মস্বীকৃত করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, কিন্তু তারা দাবি করেছে যে, তারা লেবাননের শহুর গোষ্ঠী হিজবুল্লাহের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হয়েছে। তবে তাদের অবগত আছে যে, এই ধরনের অভ্যন্তরীণ বাধা কোনও সাধারণ নাগরিকের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।
ইসরায়েল সরকার এবং হিজবুল্লাহ মধ্যে ১৬ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি চলছে। দুই পক্ষে তাদের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও যুদ্ধবিরতির সময়ে দুই পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিয়েছে।প্রধানত লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের বেশিরভাগ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলী সেনাবাহিনী। দেশের প্রধান দাবি করছে, ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ সংস্থা সহ সম্পর্কিত ব্যক্তি এবং স্থাপনার হামলা চালানো হচ্ছে।গতকাল লেবাননের রাষ্ট্রনির্বাহী জাতীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, সাকসাকিয়াহ এবং অন্যান্য দক্ষিণাঞ্চলে জোরালো হামলা চালানো হচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীদের।
আইডিএফ (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে তারা একটি স্থাপনার ভেতর থেকে কার্যক্রম চালানো হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে, এই হামলার বিস্তারিত পর্যালোচনা চলছে।লেবাননের নাবাতীয়ে এলাকায় একটি মোটরসাইকেলে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার খবর দিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রকাশ পান, এই হামলায় একজন সিরিয়ান নাগরিক এবং তাঁর ১২ বছরের মেয়ে আহত হয়েছে।
দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে যে, গত সপ্তাহে লেবানন যুক্তরাষ্ট্রের এক হামলায় নারী, শিশুসহ ১২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয় নিহত জঙ্গিদের (হিজবুল্লাহ) এবং অসমাজিক মানুষের সংখ্যা আলাদা করে জানানো হয়নি।এছাড়াও, হিজবুল্লাহ গতকাল ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে একটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এ হামলায় তিনজন ইসরায়েলি সেনা আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশের সামরিক বাহিনী।



