প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২
ইরানের সাথে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনা চালিয়ে গেলেও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বিপুলসংখ্যক সেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেনাবাহিনীর বিশেষ একক ‘৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশন’-এর কিছু হাজার সেনাকে ওই অঞ্চলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন। গতকাল মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রাচীন দিনের নিয়মে, ১৮ মার্চে রয়টার্সের একটি রিপোর্টে উল্লিখিত হয়েছিল যে, ট্রাম্প প্রশাসন বিবেচনা করছে কিছু সংখ্যক অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর বিষয়ে। এই পদক্ষেপের ফলে ইরানের ভূখণ্ডে সরাসরি সেনা প্রেসার থাকতে পারে। সংঘাতের চতুর্থ সপ্তাহে এমন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার শঙ্কা উঠছে, যা আগেই বিশ্ববাজারকে অস্থির করেছে।
কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, নর্থ ক্যারোলাইনার ফোর্ট ব্র্যাগ থেকে এই সেনাদের পাঠানো হবে। তবে তাঁদের ঠিক কবে বা মধ্যপ্রাচ্যের কোন জায়গায় মোতায়েন করা হবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি।সেনা মোতায়েনের বিষয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউসের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এ–সংক্রান্ত সব ধরনের ঘোষণা পেন্টাগন থেকেই আসবে।
এই বিষয়ে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে সব সময়ই সব ধরনের সামরিক বিকল্প খোলা রয়েছে।’রয়টার্সকে একটি সূত্র জানিয়েছে, সরাসরি ইরানি ভূখণ্ডে সেনা পাঠানোর বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে ওই অঞ্চলে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য যেকোনো অভিযানের সক্ষমতা বাড়াতেই এই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।



