শোবিজ অঙ্গনে দীর্ঘ সময় ধরে গুঞ্জন হয়েছিল চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহের প্রেমের সম্পর্ক। হিসেবে কাজ করা মুনসুর আলী বলেছিলেন, সামিরার সন্দেহ করার কারণেই সালমান-মৌসুমী জুটি ভেঙে গিয়েছিল। সাক্ষাৎকারে মুনসুর আলী জানিয়েছেন, সামিরা হক মৌসুমীকে নিয়ে সালমান শাহে সন্দেহ করতেন। এ কারণেই ‘দেনমোহর’ সিনেমার পর সালমান আর মৌসুমীর সঙ্গে কাজ করতে চাননি। মুনসুর আলী বলেন, ‘এ সিনেমার পর আরেকটির অফার আসে। কিন্তু সিনেমায় মৌসুমী থাকায় ভাই না করে দেন। তাঁকে যখন বলি ভাই সিনেমার গল্প তো ভালো ছিল, তখন ভাই আমাকে বলেন, ‘‘তোমার ভাবি আমাকে এমনিতেই সন্দেহ করে। আমি আর মৌসুমীর সঙ্গে কাজ করব না। আমার সংসারে আমি সুখ চাই, শান্তি চাই।’
সালমান-শাবনূরের সম্পর্ক ভাইবোনের মতো ছিল বলে জানান মুনসুর। বলেন, ‘আমি সাড়ে চার বছর সালমান ভাইয়ের সঙ্গে ছিলাম। তাঁদের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়ে কিছু জানি না। বরং ভাই সব নায়িকাকেই সম্মান করতেন। শাবনূরকে প্রথম দেখেই বলেছিলেন, ‘আমার তো কোনো বোন নেই, তুমি আমার ছোট বোনের মতো।’ মুনসুর আলী জানান, সালমান শাহ ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র, পরিশ্রমী ও পরিবারের প্রতি নিবেদিত একজন মানুষ। শুটিং শেষে তিনি কখনো আড্ডা দিতেন না, তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে যেতেন। মুনসুর আলী বলেন, ‘সব সময় আমি ভাইকে নারীদের সম্মান করতে দেখেছি। শুধু শাবনূর কেন, কোনো নায়িকাকেই কুনজরে দেখতেন না। শুটিং শেষ হলে কারও সঙ্গে বসে আড্ডা দিতেন না। দ্রুত বাড়ি ফিরে যেতে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন।’১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনে সালমান শাহর বাসা থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এটাকে আত্মহত্যা বললেও ২৯ বছর পরে হত্যা মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত.


অভিনেতার এক শাবনুর
নায়ক ছিল একটাই- সালমান।