মাহে রমজানে আসা থেকে বাজারে ভোজ্যতেলের দাম এখন হঠাৎ বাড়ল। তবে, মিলমালিকেরা বলছেন যে, বিশ্ববাজারে দাম বাড়ানোর কোনো প্রভাব এখনও বাজারে পড়া নাই। কিন্তু এদিকে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়ে দিলেন। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কোম্পানিগুলো কমিশন কমিয়ে দিয়েছে, যার প্রভাব খুচরা বাজারে পড়েছে।আরেকদিকে সবজি এবং ডিমের দাম কমেছে, যেমন মুরগির দাম বাড়লেও ডিমের দাম কমেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সামনে রমজানে প্রচুর মাত্রার প্রদান দেওয়া হবে, তাই দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।খুচরা বাজারের একজন ব্যবসায়ী বলছেন, কোম্পানিগুলো ভোজ্যতেলে কমিশন কমিয়ে দিয়েছে, যার প্রভাব খুচরা বাজারে পড়েছে। এছাড়া, রমজানে চাহিদাসম্পন্ন পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।একটি গ্রুপের পরিচালক বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বাড়েছে, কিন্তু এই প্রভাব বাজারে এখনো পড়েনি। রমজানেও এর কোনো প্রভাব হওয়ার সম্ভাবনা নেই।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছেন, বার্ষিক ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ২৫ লাখ টন, যেগুলো বাজারে প্রায় পৌনে চার লাখ টন আমদানি হয়েছে। এছাড়া, চট্টগ্রাম বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় আছে তিনটি ট্যাংকার বোঝাই প্রায় এক লাখ টন সয়াবিন তেল। তবে ভোজ্যতেলের দাম এখনো বাড়ছে।




মাহে রমজানে আসা থেকে বাজারে ভোজ্যতেলের দাম এখন হঠাৎ বাড়ল।
কঠোর নজরদারি বাড়ানো দরকার