ভূমিকম্পে ঢাকার বড় বিপদের আশঙ্কা আরও ঘনাচ্ছে
ভূমিকম্পে ঢাকা ও এর আশপাশে বড় বিপদের আশঙ্কা আরও ঘনাচ্ছে। উৎপত্তিস্থলের নিকটতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও প্রাণহানির উচ্চ ঝুঁকি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।গত শুক্র ও গতকাল শনিবার প্রায় ৩১ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা ও এর আশপাশে চারটি ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে। এই ঝুঁকির বিষয়টি বিশেষজ্ঞরা সতর্কবার্তা দিয়েছেন। শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটির উৎস ছিল নরসিংদীর মাধবদী। উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে উৎপত্তিস্থলের গভীরতা কম হলে বেশি ঝাঁকুনি হবে। শুক্রবারের ভূকম্পের তীব্রতা ছিল স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। শিশুসহ ১০ জন নিহত হন এবং ৬ শতাধিক মানুষ আহত হন। ভূ-অভ্যন্তরের যে ফাটল বা ফল্ট লাইনটি ধরে প্রচণ্ড চাপে একে অপরের সঙ্গে আটকে ছিল, তা নড়তে শুরু করেছে এবং শক্তি নির্গমনের প্রক্রিয়া চালু করেছে। এসব মৃদু ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পকে বড় ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে উঠে আসা যেতেছে, শুক্রবারে নরসিংদীতে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাত্রার (৫ দশমিক ৬) ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে। ভূমিকম্পের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাংলাদেশের ভূখণ্ডে হওয়া ৩৯টি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভেতরে।এই সময়ে ৩৯টি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভেতরে। এই সময়ে ৩৯টি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভেতরে।চারটি কারণে ঢাকার বিপদটা স্পষ্ট হচ্ছে। প্লেট বাউন্ডারির পাশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা থাকে এবং নরসিংদীতে একটি সাব-ফল্ট রয়েছে যা অনেক বড় এবং এটা ঢাকার কাছে পৌঁছতে চলেছে। ভূমিকম্পের তীব্রতা আরও বেড়ে যাচ্ছে এমন একটা সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে বারবার হওয়া এই ভূকম্পগুলো বড় একটি ভূমিকম্পের পথ খুলে দিয়েছে। তৃতীয়ত, ঢাকার ভবনগুলো ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ডিজাইন কোড মেনে হচ্ছে না যা ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে। চারটি কারণে ঢাকার বিপদটা স্পষ্ট হচ্ছে।




