সাইমের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে অস্ট্রেলিয়াকে অনায়াসে হারালো পাকিস্তান ওপেন করতে নেমে ঝড়ো শুরু করে দলকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন সাইম আইয়ুব

সাইম আইয়ুব অস্ট্রেলিয়াকে অনায়াসে আটকে নিলেন পাকিস্তান ওপেন করতে। তার অলরাউন্ড দক্ষতা দেখাতে শুরু করে দলকে বৃহত্তর সংগ্রহের ভিতর ঠিক করে দেন। পরে অফ স্পিনে দুই উইকেট নেন। এবার বিশ্বকাপ প্রস্তুতির সিরিজে পাকিস্তান জয় লাভ করে। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে খেলা ম্যাচের সিরিজের প্রথম খেলায় পাকিস্তান ২২ রানে জয়ী হয়। তাদের ব্যাটিংয়ে ৮ উইকেটে ১৬৮ রান করে। সাইম ২২ বলে ৪০ রান করেন। তারপরে বেলের হাতে দুই উইকেট নিতে বেশ ভালো ভূমিকা প্রস্তুত করেন। ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। অস্ট্রেলিয়া করতে পারে ১৪৬ রান। তবে তাদের ১৬৯ রানের লক্ষ্যে নামানোর অজিদের দ্বিতীয় ওভারেই হার দেন সাইম। ৪ বলে ৫ রান করে যাওয়া ম্যাথু শর্টকে বোল্ড করে দেন। অন্যদিকে উড়ন্ত শুরুর পর নিশ্চয়ই নিভে যান। ১৩ বলে ২৩ রান করা হেডও হারানোর কারণ হয়েছে সাইম। ক্যামেরন গ্রিন তাঁদের তিনি নিয়ে থিতু হলেও মন্থর উইকেটে খেলে হারে প্রবৃদ্ধি করেন। তাঁর ৩১ বলে ৩৬ রানের ইনিংসটি চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। আবরার আহমেদ, শাদাব খান ও মোহাম্মদ নাওয়াজদের স্পিন আক্রমণ সামাল দিতে ব্যবধান হয়ে অজিরা হয়ে ১১২ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলেন। জ্যাভিয়ের বার্টলেট তারপরে ২৫ বলে ৩৪ রান করলে হারের ব্যবধান কমানো হয়েছে। টস জিতে ব্যাট করে প্রথম বলেই শাহিবজাদা ফারহানকে হারিয়েছিল পাকিস্তান। তবে এই ধাক্কা টের পেতে দেননি সাইম। অধিনায়ক সালমান আলী আঘাকে নিয়ে গড়েন দারুণ জুটি। ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ২২ বলে ৪০ রান করা সাইমের বিদায়ে ভেঙে এসেছিল ৭৪ রানের জুটি। এরপর বাবর আজমকে নিয়ে এগুতে থাকেন সালমান। অ্যাডাম জাম্পার স্পিনে হাত ধরে দুজনেই। বাবর ২০ বলে ২৪ রান করে, সালমান ২৭ বলে ৩৯ রান করেছেন। পরের পরে উসমান খান ও মোহাম্মদ নাওয়াজ ছোট ছোট অবদান দিয়ে দলের পুঁজি দেড়শ পার করান। বিশ্বকাপে নিজেদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলতেই পাকিস্তান। কলম্বোর উইকেটের ধরণ কিছুটা মন্থর হয়ে থাকে। সেই চিন্তা থেকেই লাহোরে স্পিন বান্ধব উইকেট তৈরি করা হয়েছিল পাকিস্তান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top