প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬
বিরাট কোহলি ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি খেলার পর অবসরে গেছেন। তিনি আইপিএল ছাড়া অন্য লিগে খেলেন না। গত বছরের জুন মাসে আইপিএল ফাইনালের পর প্রথমবার টি-টুয়েন্টি খেলতে নেমেছিলেন।বিরাট কোহলি তার টি-টুয়েন্টি ব্যাটিংয়ের ধার কমিয়ে নিতে পারেননি। হায়দরাবাদ সানরাইজার্সের বিপক্ষে এবারের প্রথম ম্যাচেই তিনি ৩৮ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। তার ৬৪তম ফিফটিরেও হায়দরাবাদের ২০২ রানের লক্ষ্য রয়েছে, কিন্তু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ২৬ বলেই তাড়া করে জিতেছে।
টি–টুয়েন্টিতে এত দিন পর ফেরা কোহলির জন্য কি বাড়তি চ্যালেঞ্জ ছিল? ম্যাচ শেষে কোহলি বলেন, ‘দেখুন, গত ১৫ বছরে আমাদের যে ধরনের সূচি ছিল এবং আমি যতটুকু ক্রিকেট খেলেছি, তাতে আমার জন্য প্রস্তুতির অভাব হওয়ার চেয়ে বরং ক্লান্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকি সব সময় বেশি ছিল। তাই এই বিরতিগুলো আমাকে দারুণ সাহায্য করেছে। এমন বিরতি আমাকে সতেজ ও রোমাঞ্চিত রাখে। যখনই আমি খেলায় ফিরি, সেটা ১২০ শতাংশ শক্তি নিয়েই ফিরি। আমার প্রস্তুতির ঘাটতি নেই.’
১০ মাস পর বিরতি থেকে ফিরে খেলা করে কোহলির জন্য এই ম্যাচটি রেকর্ডের ছিল। আইপিএলে তিনি প্রথম ক্রিকেটার হন, যিনি ২০০৮ সালে শুরু করে এখন পর্যন্ত ১৯টি আসরেই খেলেছেন। এই ম্যাচে খেলার রেকর্ডে কোহলি আরেকটি রেকর্ড গড়েছেন। রানতাড়ায় ৪০০০ রানের মাইলফলকও ছুঁয়েছেন এবং আইপিএলে রানতাড়ায় চার হাজারের মাইলফলকে তিনিই প্রথম। মোট রান ৮৭৩০, এটি তাঁর ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রান।
জানুয়ারিতে কোহলি ভারতের জনপ্রিয় ওয়ানডে খেলা থেকে অবসর নিয়েছিলেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ওয়ানডে ম্যাচে 93, 23 এবং 124 রান করেছিলেন। তাঁর ব্যাটে থেকে ভারতের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এই সিরিজে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে 302 রান করেছিলেন। গত বছরে তিনিই 13 ওয়ানডে ম্যাচে খেলেছিলেন। মানে খেলায় তিনি অনেক নেই।
যখন আলোচনা রানতাড়ার, তখন কোহলিই বা বিরাট কোহলি হিসেবে প্রতিষ্ঠানকে উপেক্ষা করে রাজত পতিদার এবং বলেন, ‘বিরাট কোহলি হলেন বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক এবং রানতাড়ারে মাস্টার। তিনি যেভাবে খেলেন, যে রানগুলো সংগ্রহ করেন এবং যেভাবে পরিস্থিতি বুঝতে পারেন, তা আমি সর্বদা উপভোগ করি। মনে হয়, তিনি নিজের সেরা অবস্থায় আছেন। নেটওয়ার্কে যা দেখেছি, পারফর্ম করার এবং দাপট দেখানোর এই একই শক্তি ও আগ্রহ এখনো তার মধ্যে রয়েছে।’



