‘বিবিসি‘ জানাচ্ছে, এই প্রযুক্তিটি স্বনিয়ন্ত্রিত থাকবে। প্রত্যেক ফুটবলারের একটি ঘরে গিয়ে ছবি তোলার প্রয়োজন হবে। এটি সম্পন্ন করতে এক সেকেন্ডেরও কম সময় লাগবে। প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার পূর্বে যে ফটোশুট হয়, সে সময়েই এই কাজটি সম্পন্ন করা হবে। ফিফার দাবি, প্রতি ফুটবলারের শরীরের সঠিক মাপ নেওয়ার জন্য এই প্রক্রিয়া আয়োজিত হচ্ছে। এর ফলে সঠিকভাবে অফসাইড নির্ধারণ সম্ভব হবে।
ফিফা জানিয়েছ, যদি কোনো ফুটবলারের দ্রুত নড়াচড়া হয় অথবা তার দৃষ্টি বাধাপ্রাপ্ত হয়, তবে ক্যামেরার মাধ্যমে সহজেই সেই ফুটবলারকে চিহ্নিত করা যাবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় রিপ্লে যথাসম্ভব বাস্তবসম্মত করার চেষ্টা করা হবে।
বর্তমানে চলমান ইপিএল’র শুরুতে ম্যাঞ্চেস্টার সিটি এবং নিউক্যাসলের মধ্যে একটি ম্যাচে বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। নিউক্যাসলের একটি গোলকে অবৈধ হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছিল। গোলটি করার সময় সিটির রুবেন দিয়াস লাফিয়ে উঠেছিলেন, কিন্তু প্রযুক্তি সেটি সনাক্ত করতে সক্ষম হয়নি। ফিফার আশা, নতুন ত্রিমাত্রিক মডেলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেবে না। ফুটবলারের কার্যক্রম সব কিছুই ধরা পড়বে।




ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর আগে ১২৪৮ জন ফুটবলারের ছবি তুলবে , প্রতিযোগিতায় দেখা যাবে নতুন প্রযুক্তি।