বিশ্বকাপের আগেরদিন বড় দুঃসংবাদ পেল অস্ট্রেলিয়া

একের পর এক চোটের ধাক্কায় বিপর্যস্ত সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল (শনিবার) থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর। তার আগেরদিন তারকা পেসার জশ হ্যাজলউডের পুরো টুর্নামেন্টের খবর নিশ্চিত করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। এর আগে পেস বিভাগের অন্যতম প্রধান অস্ত্র প্যাট কামিন্সও পিঠের ইনজুরিতে ছিটকে যান। টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়া মিচেল স্টার্কের পর এবার কামিন্স-হ্যাজলউডকে ছাড়াই হবে অজিদের বিশ্বকাপ অভিযান।

বিশ্বকাপ মাঠে গড়াতে আর ২৪ ঘণ্টা বাকি, অবশ্য অস্ট্রেলিয়া তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে আরও পাঁচদিন পর (১১ ফেব্রুয়ারি, প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড)। ২০২৫ সালে টি-টোয়েন্টিতে দারুণ পারফরম্যান্স ছিল হ্যাজলউডের। যার সুফল পেয়ে প্রথমবার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড এবং ভারতের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজেও আলো ছড়িয়েছিলেন হ্যাজলউড। তাকেও বিশ্বকাপে না পাওয়া অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় ধাক্কাই বটে!

২০২৫ সালে ৭.৩৭ ইকোনমিতে ১২ উইকেট নিয়েছেন হ্যাজলউড। এর মধ্যে ৮টি উইকেটই পাওয়ার প্লেতে। যদিও তার পুরো গ্রীষ্ম ভেস্তে গেছে হ্যামস্ট্রিংয়ের ইনজুরিতে। অ্যাশেজ সিরিজের আগে লাল বলের শেফিল্ড শিল্ড টুর্নামেন্টে চোটে পড়েন তিনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে তাকে নিয়ে সতর্ক ছিল সিএ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হতাশার খবরই সঙ্গী হলো নির্বাচক টনি ডডমেইডের, ‘আমাদের প্রত্যাশা ছিল সুপার এইটে তিনি ফিটনেস ফিরে পাবেন, কিন্তু বর্তমানে আরও সময় লাগবে এবং দ্রুত তাকে ফেরাতে চাইলে আরও বড় ঝুঁকি তৈরি হবে। আমরা এখনই বিকল্প ঘোষণা করছি না। প্রাথমিক ম্যাচগুলো আমরা কাভার করতে পারব বলে মনে করি, সময়ের প্রয়োজনে প্রাধান্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

সম্প্রতি পাকিস্তানের সিরিজ খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। যেখানে তারা টি-টোয়েন্টি সিরিজ হেরেছে ৩-০ ব্যবধানে, যদিও অজিদের পূর্ণ শক্তির দল না নেওয়া নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। সেই দলে শন অ্যাবটও ছিলেন, বিশ্বকাপের স্কোয়াডে রিজার্ভ হিসেবে থাকা এই পেসার হ্যাজলউডের বদলি হিসেবে মূল দলেও যুক্ত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে কুঁচকিতে অস্বস্তি বোধ করেন তারকা স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তবে আইরিশদের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তাকে পেতে অসুবিধা নেই অস্ট্রেলিয়ার।

হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটে ভোগা নাথান এলিস এবং টিম ডেভিডও খেলার জন্য ফিট বলে জানিয়েছে সিএ। জাম্পাসহ এই তিন ক্রিকেটারই নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ছিলেন না। ফলে ফিট ক্রিকেটারের সংখ্যা ছিল বরাবর ১১ জন। যদিও বৃষ্টিতে ম্যাচটি ভেস্তে যায়। এদিকে, ২০০৯ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর এই প্রথম কোনো আইসিসির টুর্নামেন্টে হ্যাজলউড, কামিন্স, স্টার্ক, স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারের কেউই নেই অজিদের স্কোয়াডে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াড

মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জাভিয়ের বার্টলেট, কুপার কনলি, টিম ডেভিড, বেন ডারউইশ, ক্যামেরন গ্রিন, নাথান এলিস, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাট কুনেম্যান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ম্যাট রেনশ, মার্কাস স্টয়নিস ও অ্যাডাম জাম্পা; রিজার্ভ : শন অ্যাবট

2 thoughts on “বিশ্বকাপের আগেরদিন বড় দুঃসংবাদ পেল অস্ট্রেলিয়া”

  1. একের পর এক চোটের ধাক্কায় বিপর্যস্ত সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল (শনিবার) থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর।

  2. একের পর এক চোটের ধাক্কায় বিপর্যস্ত সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top