প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬
একটা গোল ছিল তার, তাও না পেয়ে। তারপরেও গোল করেছিলেন। আরেকটা গোল করার সূত্র ছিলেন তিনি। যে হলুদ কার্ডে দেখতে হলুদ কার্ড টা আর খেলা করতে পারবেন না সান্তোসের পরবর্তী ম্যাচে। আজকে নেইমার হলুদ কার্ডের নিষেধাজ্ঞাই মন্ত্বন্ত বেলমিরোয়, তা ছাড়া ম্যাচে বেশ ভালো খেলেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।
ব্রাজিলিয়ান সিরি আ-তে রেমোকে ২-০ গোলে হারায় সান্তোস। ৪০ মিনিটে সান্তোস মিডফিল্ডার থাসিয়ানোর গোলের উৎস ছিলেন নেইমার। ডান প্রান্ত থেকে দারুণ লবে বল বাতাসে ভাসিয়ে রেমোর বক্সে ফেলেন নেইমার। সেখান থেকে গোল করেন থাসিয়ানো। ৮২ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে ডিফেন্সচেরা পাস দেন নেইমার। গঞ্জালো এসকোবার সেই পাসটি ধরে ময়জেসকে দেওয়ার পর গোল করেন তিনি.
কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে, নেইমার পুরো ১৪টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন না। যার মধ্যে তিনি প্রথম ম্যাচে পূর্ণ সময় মাঠে ছিলেন, কিন্তু ৮৬ মিনিটে হলুদ কার্ড পেয়েছিলেন। নেইমারের পরিকল্পনা কিছুটা গড়বড়ে আসতে পারে।
বিশ্বকাপ দলে ফিরতে নেইমারের এখন টানা ম্যাচ খেলার বিকল্প নেই। তাঁর জন্য সান্তোসের পরের ম্যাচে খেলতে না পারা হলুদ কার্ড তৃতীয় হওয়া বড় ধাক্কা। ডিয়েগো হার্নান্দেজ নেইমারকে পেছন থেকে কড়া ফাউল করেন। নেইমার রেগে তেড়েফুঁড়ে হার্নান্দেজের প্রতি ছুটে গেলেন। দুটি দলের কয়েকজন খেলোয়াড়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি এবং ধাক্কাধাক্কি ঘটত। রেফারি সাভিও পেরেইরা নেইমারকে হলুদ কার্ড দেখান।
নেইমার ম্যাচ খেলতে সময়ের সাথে নিয়মিত রাগ প্রকাশ করেন। একটি স্পোর্টস চ্যানেলে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে সর্বপ্রথম ফাউল না, তৃতীয় বা চতুর্থ ফাউল হয়েছে। আমি রেফারির প্রতি অভিযোগ করতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখেছি।’রেফারি তার সমালোচনা চালিয়ে বলেন, ‘এমন হতে চায় যে সাভিও ম্যাচের তারকা হয়ে উঠুক। কিন্তু তার আচরণ কাছাকাছি সম্মানজনক নয়। কারও কথা শুনতে চায় না এবং সবসময় নির্বিঘ্নে নেজে রাখতে চায়। তাকে পরিস্থিতির সাথে মিলিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হয়েছে। রীতিমতোভাবে সম্মানের ছন্নদা নিয়ে চলা যাচ্ছে তার আচরণে।’



