প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কর্মকর্তাদের দলগতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গত এক বছরে কী কী কাজ হয়েছে, সেটা দেখে বুঝতে পারব কী কী ঘাটতি আছে। দেশটা আমাদের। আগামী ১০০ দিনের মধ্যে আমরা কী করব, তার একটি লক্ষ্যমাত্রা তৈরি করতে হবে।’
বুধবার, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসে মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতিমূলক সভায় আরিফুল হক চৌধুরী এ কথাগুলো বলেছেন।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য একটা – মানুষের প্রত্যাশা বেশি, প্রত্যাশা অনুযায়ী আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের দলের সদস্যরা একসাথে কাজ করতে হবে। মন্ত্রণালয়ের সবাই আমরা একসাথে এবং আন্তরিকভাবে কাজ করলে আমরা সফল হব। যে গাইডলাইন কাজের জন্য রয়েছে, তা আমাদের দলের ইচ্ছা হলো সামনে রাখা।’শ্রমমন্ত্রী কর্মকর্তাদের প্রতি উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের দীর্ঘদিন কাজ করা হয়েছে, আপনাদের অভিজ্ঞতা আছে। কাজের ক্ষেত্রে রুলস, বিজনেসে বা কার্যবিধিমালার বাইরে আমরা গিয়ে নাই। ক্ষেত্রে দরকার যা, তা পরিষ্কারভাবে জানাবেন।’
এই সময়ে শ্রমমন্ত্রী বললেন, ‘রমজান মাস আসছে। রমজানের শেষে ঈদুল ফিতরের আগের সময়ে শ্রমিক শিল্পে বা কলকারখানায় কোথাও কোনো শ্রম অসন্তোষ থাকতে না, এই বিষয়ে আগেই সতর্ক থাকতে হবে।’পরিচিতিমূলক সভায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হকও কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘প্রথম তিন মাসের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। আমরা মানুষকে তা বোঝাতে পারতাম, তিন মাসে আমরা এই কাজগুলি করেছি।’প্রতিমন্ত্রী আরও বললেন, এই মন্ত্রণালয়ের ‘সাবেক উপদেষ্টা একই কিছু পরামর্শ দিয়েছেন, আমরা তার পরামর্শ অনুসরণ করব।’ তিনি জোড়া করেন, ‘ঈদের সময় কিছু আন্দোলন ঘটতে পারে, তাকে মনে রাখে প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজন। যে কোনও সেক্টরে কোন আন্দোলন সৃষ্টি হতে পারে, তা যেন আমরা আগেই সমাধান করতে পারি।’ সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব সারোয়ার জাহান ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।


