প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাপান নিশ্চিত করে দিলেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে করা বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন হবে। ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।
জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, একটি বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুসের দুই দেশের সম্পর্কের কৌশলগত অংশীদারত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এছাড়াও, ভারত প্রশান্ত মহাসাগরের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরিবর্তে, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে হওয়া দুটি চুক্তিগুলো উল্লেখযোগ্য হতে চলেছে – একটি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি, আরেকটি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি। উভয় দেশের মধ্যে এই চুক্তিগুলোর সঠিক পারিশ্রমিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আলোচনা হয়েছে।
যদি জানতে চান জাপানে জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে, যদি আপনি সাইদা শিনিচির মত বলেন, ‘আমরা জাপানে দক্ষ শ্রমব্যবস্থা সম্পর্কে কথা বলেছি। আমরা জানা গেছে যে, জাপানি ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ছে। আমাদের পক্ষ থেকে একই স্থানে আছি, আমরা জাপানি ভাষা শিক্ষক পাঠিয়ে সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলির সহায়তা করছি। এছাড়াও, বিভিন্ন পদ্ধতিতে আমরা জাপানি ভাষার প্রতিযোগিতা করছি।’যদি আপনি বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ি প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন করেন, রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বৈঠকে আমরা অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছি। তবে এর বিস্তারিত মন্তব্য করব না।’
জাপানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। জাপানের সঙ্গে সম্পাদিত প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে নতুন সরকারের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বৈঠকে জাপানের রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেছেন যে চুক্তি হয়েছে। আমরা দেখি চুক্তিতে কী আছে, দেখি অন্তর্বর্তী সরকার কী রেখে গেছে। বিষয়টি দেখে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব। চুক্তি যদি জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে হয়, তাহলে বাস্তবায়ন হতে পারে। আর স্বার্থের ভিত্তিতে না হলে আমরা বিবেচনায় নেব। দেখি, অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের জন্য কী রেখে গেছে। সেটা না দেখে তো এখন বলা যাবে না।’



ভালো উদ্যোগ নিয়েছে জাপান