নারায়ণগঞ্জে সাবেক এমপিদের ভরাডুবি, জামানত হারাচ্ছেন ৫ হেভিওয়েট

নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনি লড়াইয়ে এবার বড় ধরনের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন এক সময়ের দাপুটে সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে নিজেদের জামানতও রক্ষা করতে পারেননি তারা।

নির্বাচন কমিশন সূত্র বলছে, আইন অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম এক-অষ্টমাংশ বা ১২.৫ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় সরকারি কোষাগারে জমা হতে যাচ্ছে এই হেভিওয়েটদের জামানতের টাকা।

নারায়ণগঞ্জ রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল থেকে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৩ ভোট। আর এই আসনে স্বতন্ত্র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন বিএনপির সাবেক কয়েকবারের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর। আর ভোটের ফলাফলে তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা হচ্ছে ১৮ হাজার ৭৪৪ ভোট। যা এই আসনের প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ হয়নি।

একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৫২ ভোট। আর এই আসনে স্বতন্ত্র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন এবং বিএনপির সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম। তাদের মধ্যে মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা হচ্ছে ২০ হাজার ৩৭৯ ভোট এবং রেজাউল করিমের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা হচ্ছে ৪ হাজার ৫৯৬ ভোট। যা এই আসনের প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ হয়নি।

এদিকে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সদর) আসনের মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৭২৯ ভোট। আর এই আসনে স্বতন্ত্র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও মোহাম্মদ আলী। তাদের মধ্যে মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৪ হাজার ৭৭৯ ভোট এবং মোহাম্মদ আলীর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা হচ্ছে ১১ হাজার ৩২৮ ভোট। যা এই আসনের প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ হয়নি।

1 thought on “নারায়ণগঞ্জে সাবেক এমপিদের ভরাডুবি, জামানত হারাচ্ছেন ৫ হেভিওয়েট”

  1. নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনি লড়াইয়ে এবার বড় ধরনের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন এক সময়ের দাপুটে সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা।

Leave a Reply to Md Sohel Rana Cancel Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top