যদি দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হয়, আমি অফিস এবং আদালতে অপরাধী করতে এসে নই। ফেনী-০৩ আসনে জামায়াতের ইসলামি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক বলেছেন, “আমরা দুর্নীতি করব না। কাউকে ক্ষতি করতে দেব না। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং সরকারি অফিস এবং আদালতে অত্যাচার করব না।”তিনি আরও বলেন, “দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে দলমত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কাউকে অত্যাচার করতে দেব না। এভাবেই এই জনপদের উন্নতি হবে না। মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে।”সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে দাগনভূঞার আতাতুর্ক সরকারি মডেল হাই স্কুল মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মতবাদ প্রকাশ করেছিলেন।তিনি আরও বলেছিলেন, দীর্ঘ সময় ধরে এই জনপদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে সহায়তা করেছি। এখন এ সমস্যাগুলি চিহ্নিত করেছি। এবার দেশব্যাপী দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার সৃষ্টি হচ্ছে। একদল এ গণজোয়ার দেখে মা-বোনদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। কেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা এবং হুমকি-ধমকি করে ভয় দেখাচ্ছে। কোনো কিছুই এবার ডা. শফিকুর রহমানের পরাজয়ে জামায়াতে ইসলামীর বিজয় পরিবর্তন করতে পারবে না।জনসভায় বিশেষ অতিথি বক্তব্য রেখেছিলেন ফেনী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মুফতি আবদুল হান্নান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর মজলিসে সূরা সদস্য মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ।মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ বলেছিলেন, “আমি কিছু বলতেই পারিনা। লুটেরা, চোর, চাঁদাবাজদের নিয়ে কথা বলতে পারিনা। প্রতিপক্ষের প্রার্থী ভোট চাওয়ার চেয়ে বেশি অপমান করছে। ছোট কলিজা দিয়ে রাজনীতি করবেনা কীভাবে। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার কারণে আপনার হারানোর দুঃখ।”দাগনভূঞা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর গাজী ছালাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এই বক্তব্যগুলি রেখেছেন ফেনী জেলা এনসিপির সমন্বয়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকত, জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আবু হানিফ হেলাল, দাগনভূঞা উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর নবী দুলাল প্রমুখ।


