বেগম খালেদা জিয়া প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এভারকেয়ারের কমরে শুয়ে আছেন। সব সময়ে তার পরিচর্যা ও দেখালে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের দ্বারা করা হচ্ছে। দেশের সকল ধর্মের মানুষের প্রার্থনা এবং শুভেচ্ছা তার জন্য কামনা করছে। বাংলাদেশের সকল স্থানে মানুষের হৃদয় ভেসে গেছে তিনি। সবার মুখেই তার সুস্থতার জন্য কামনা রয়েছে। মানুষের প্রতি তার বিশেষ প্রেমের কারণে সবাই চিন্তিত। এমন পরিস্থিতিতে তার পুত্র, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, লন্ডনে থাকছেন। তিনি তার মায়ের পাশে থাকতে চান কিন্তু কারনে ফিরেন না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার উপর অনেকগুলি বিচার করা হচ্ছে। তার নির্বাসনে যে বড় অর্থনৈতিক প্রভাব হচ্ছে সেটা ছাপা দেওয়া হচ্ছে মাধ্যমে। প্রকাশিতের মত ব্যাখ্যা করার জন্য মানুষ সর্বক্ষণ চিন্তিত।
যোগাযোগ রক্ষা করে ঢাকার চিকিৎসা টীমের সঙ্গে সমন্বয় করে চিকিৎসা করাচ্ছেন। লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছে বেগম জিয়ার পূর্ণ মেডিকেল হিস্টোরি রয়েছে। যেখানে তার রোগগুলোর সঙ্গে বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা সম্পূর্ণ পরিচিত-পরিপূর্ণ পরিজ্ঞাত। অনেক সময় দেখা গেছে যখন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা রোগীর চিকিৎসা পর্যালোচনায় বসেন তখন অনেক সমস্যার অনায়াস সমাধান বেরিয়ে আসে। এখন বিশ্বে চিকিৎসার বহুমাত্রিকতা আবিষ্কৃত হয়েছে। ফলে যখন বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন পরিবেশের বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা ভার্চুয়ালী বসে আলোচনা করেন সেখান থেকে চিকিৎসার অভাবনীয় সব সর্বাধুনিক ফর্মুলা বেরিয়ে আসে। তারেক রহমানের চেষ্টায় সেটাই হচ্ছে বেগম জিয়ার ক্ষেত্রে। ইতিপূর্বে পতিত সরকারের সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে তিনি বিদেশে এ্যডভান্স ট্রিটমেন্ট করে সুস্থতা ফিরে পান। জাতীয়পার্টির রওশন এরশাদ মৃত্যুর দশায় ছিলেন তিনিও থাইল্যান্ডে দীর্ঘদিন চিকিৎসা করে সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন।
আরও অনেকেরই জীবন মৃত্যুর মাঝামাঝি পরিস্থিতিতে উন্নততর চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠার দৃষ্টান্ত রয়েছে। বেগম খালেদা জিয়াও সুস্থ হবেন এমন আশায় সবধরনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন পুত্র তারেক রহমান। ওয়াকেফহাল মহল ও সংশ্লিষ্টদের এই মত যে, ধরা যাক তারেক রহমান তার মায়ের কাছে এই মুহুর্তে আসলেন,আসতে চাইলেও ২০ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। তিনি দেশে ফিরলে লক্ষ লক্ষ লোকের ভিড় ঠেলে এয়ারপোর্ট থেকে মায়ের কাছে গেলেন। বড় বড় হেডলাইনে সংবাদ শিরোনাম হলেন। মানুষ হাসলেন,কাঁদলেন,আপ্লুত হলেন-আবেগে ভাসলেন। গণমাধ্যম কর্মীরা বহুমাত্রায় রিপোর্ট প্রতিবেদন করলেন। কেউ কেউ লাইভ করলেন। টিআরপি বাড়লো। টকশোতে কথার ফুলঝুরি ছুটলো। মানুষের মুখে মুখে ফিরলো খবরের শিরোনাম।


