থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল ক্ষমতায় আসার মাত্র তিন মাসের মাথায় পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়েছেন। রাজনৈতিক সংকট এবং নৈতিকতা লঙ্ঘনের কারণে থাইল্যান্ডে দুইবার প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হয়েছে, যা আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে দেশটির চলমান অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়। আনুতিন শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ৪৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেন। দেশটিতে সাম্প্রতিক বন্যায় অন্তত ১৭৬ জনের মৃত্যু এবং কম্বোডিয়া সীমান্তে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন নিহত ও লাখো মানুষের বাস্তুচ্যুতি—এসব সংকট মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনার মাঝেই এ সিদ্ধান্ত আসে। প্রগতিশীল পিপলস পার্টি সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে অনাস্থা প্রস্তাব আনার পরিকল্পনা করলে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সংখ্যালঘু সরকার আরও অস্থিরতায় পড়ে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনতেই আনুতিন পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। গত এক বছরে নৈতিকতা লঙ্ঘন ও রাজনৈতিক সংকটের কারণে থাইল্যান্ডে দুইবার প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হয়েছে, যা আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে দেশটির চলমান অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়।




Very bad thailand