গাজায় পরিবহন ব্যবস্থার ক্ষতি ২৫০ কোটি ডলার

গাজা উপত্যকায় চালানো ইসরায়েলি আগ্রাসনে ধ্বংস হয়েছে হাজার হাজার স্থাপনা, ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থাও। এছাড়া চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা ব্যবস্থা, কর্মের সুযোগও নেই বললেই চলে। 

শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় পরিবহন ব্যবস্থার ক্ষতি প্রায় ২.৫ বিলিয়ন বা ২৫০ কোটি ডলার।

প্রতিদিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসান এল-নাবিহ বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেট সংযোগসহ তার সাইকেলে ব্রিফকেস এবং ল্যাপটপ বেঁধে একটি জায়গার সন্ধানে বেরিয়ে পড়েন। তার ছাত্রদের অনলাইনে যোগাযোগ করার উদ্দেশেই এমনটি করেন তিনি।

গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনের আগে একজন অধ্যাপকের সাইকেল চালানো কোনও সাধারণ দৃশ্য ছিল না। কিন্তু এখন যুদ্ধের কারণে আরোপিত একটি করুণ বাস্তবতার মধ্যে এক কাতারে এসে পড়েছেন গাজার ধনী-গরীব, শিক্ষার্থী-শিক্ষক, মালিক-চাকরিজীবী সবাই। বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত গণপরিবহনের কারণে এখন বিকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম মাধ্যম সাইকেল।

এল-নাবিহ জানান, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে গাজা শহরের শুজাইয়া পাড়ায় পার্কিং করার সময় তার গাড়িটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘“আত্মীয়দের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলাম আর তখন কাছাকাছি একটি ভবনে ইসরায়েল বিমান হামলা চালায়।”

এ সময় উভয় উইন্ডোস্ক্রিন ভেঙে পড়ে এবং ইঞ্জিনটি বিকল হয়ে যায় বলে জানান তিনি। এই অধ্যাপক আরও বলেন, “আমার গাড়িটি ব্যবহারের অযোগ্য এবং এখন জ্বালানি খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব, তাই আমাকে এভাবেই মানিয়ে নিতে হয়েছে।” সূত্র: আল-জাজিরা

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top