বললেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়তুল্লাহ আলি খামেনি। তিনি জানিয়েছেন, এক হাজারের বেশি ইরানির রক্ত হাতে লেগে আছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। খামেনি বলেন, ট্রাম্পের জন্য পরিণতি অপেক্ষা করছে যেমন ১৯৭৯ সালের বিপ্লবে ইরানের সাম্রাজ্যবাদী শাসনের পতন ঘটেছিল। ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে। তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা নতুন করে আন্দোলন শুরু করেন। এরপর বিভিন্ন জায়গায় সব ধরনের মানুষ যুক্ত হন। বিক্ষোভের মাত্র বেড়ে যায় রাতে বৃহস্পতিবার। রাজধানী তেহরানসহ হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছেন। ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার পর মোবাইল ফোন সেবা বন্ধের পথে রয়েছে ইরানে। ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভি ব্যাপক বিক্ষোভে কার্যত অচল ইরানের বিক্ষুব্ধ জনগণকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীকে জনগণের পাশে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক ভিডিওবার্তা পোস্ট করেন ক্রাউন প্রিন্স পাহলভি এরপর। তার বার্তায় ইরানের বিক্ষুব্ধ জনতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন বর্তমান সরকারের দমন-পীড়ন সত্ত্বেও এবং সরকার তাদের ক্ষমতা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে।



