এদিকে যেকোনো মার্কিন-সৌদি দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তিকে ইসরায়েল গভীর সন্দেহের চোখে দেখছিল। কারণ, তা নাকি তাদের আঞ্চলিক সামরিক একচেটিয়া ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। রাভিদ উল্লেখ করেন, কিছুদিন আগেই ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সৌদি আরবকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দেওয়ার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। কারণ, ‘ইসরায়েলের গুণগত সামরিক সুবিধা বজায় রাখতে হবে’। এমনকি সেই সৌদিদের বিরুদ্ধেও, যাদের সঙ্গে ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চাইছিল। এই দ্বৈত অবস্থান ছিল প্রকাশ্যেই, একদিকে ইসরায়েল সৌদি আরবের সঙ্গে শান্তি চায়, কিন্তু তাদের সমমানের সামরিক সক্ষমতা দিতে চায় না।
হোয়াইট হাউসের হিসাব-নিকাশ আরও নির্মম মনে হয়েছিল। ট্রাম্পের দল ধরে নিয়েছিল যে জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বৈশ্বিক ক্ষোভের চাপে সালমান নতিস্বীকার করবেন। ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে নিহত ওয়াশিংটন পোস্টের এই সাংবাদিকের হত্যায় সৌদি রাজপরিবারের জড়িত থাকার বিষয়ে সিআইএর তথ্য-উপাত্ত ট্রাম্প প্রকাশ্যে খারিজ করে দেন।
ওয়াশিংটন ধরে নিয়েছিল, দুর্বলতা মানেই নমনীয়তা। তবে তাদের ধারণা ছিল ভুল।
ওয়াশিংটন মনে করেছিল দুর্বলতা মানে নরম হয়ে যাওয়া। ওভাল অফিসে তখন অহংকারই শাসন করছিল। ধারণাটি ভুল ছিল।



ইসরায়েল সন্দেহ করলেও, সৌদি আরব এবং আমেরিকার তাতে কিছু যায় আসে না।
কেন সনদেহ হয় বুজলাম না