চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতির পরেও এই রোগটি এখনো মানবস্বাস্থ্যের মূল বিরুদ্ধে একটি বৃহত্তর ঝুঁকি। যখন দেহে কোষগুলি স্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় না এবং অস্বাভাবিক কোষগুলি বৃদ্ধি করে, তখন ক্যানসার উত্পন্ন হয়। এসব অস্বাভাবিক কোষগুলি টিউমার তৈরি করতে পারে এবং যদি টিউমারগুলি ক্ষতিকারক হয়, তাহলে তা শরীরে বিভিন্ন অংশে প্রসারিত হয় এবং প্রাণঘাতক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। আণতনও, জীবনযাপনের পরিবর্তন, পরিবেশের বিষাক্ততা, বিকিরণ, ভাইরাস, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস – সবকিছুই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে সাহায্য করে।
বিশ্বে একাধিক প্রকার ক্যানসার দেখা যায়, যেগুলি অন্যতম বেশি সাধারণ। নারীদের মধ্যে স্তন ক্যানসার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ, যা স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে আগেই শনাক্ত করা যেতে পারে। ফুসফুসের ক্যানসার সাধারণত সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর কারণ, কিন্তু শুধু ধূমপান নয়, দূষণও এর জন্য দায়ী। রক্তের ক্যানসার এবং কোলন ও রেকটাম সম্পর্কিত ক্যানসারও বেশি দেখা যায়।
ক্যানসারের কোষগুলি একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণিবিভাগ। কার্সিনোমা, সারকোমা, রক্ত ক্যানসার, লিম্ফোমা, মাইলোমা – এই ধরনের কোষগুলি ক্যানসারের উৎপাদন করে।ক্যানসার শনাক্ত করার জন্য চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা করেন এবং প্রয়োজনে উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তির সাহায্যে গভীরভাবে পরীক্ষা করেন। টিস্যু পরীক্ষা এবং রক্তের পরীক্ষা ছবি, অভ্যন্তরীণ আলোক পরীক্ষা করে ক্যানসারের অবস্থান, আকার ও বিস্তার নির্ধারণ করা যায়।
ক্যানসারের চিকিৎসা আজকে অনেক উন্নতি পায়েছে। শল্য চিকিৎসা, ওষুধ প্রযুক্তি, বিকিরণ থেরাপি, নিখুঁত বিকিরণ প্রযুক্তি, লক্ষ্যভিত্তিক থেরাপি, রোগ প্রতিরোধ সক্রিয়করণ থেরাপি, হরমোন নিয়ন্ত্রণ থেরাপি – এই ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতিগুলি চিকিৎসার মান উন্নত করেছে।
ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ হলো অকারণে ওজন কমা, দীর্ঘদিনের ক্লান্তি, অস্বাভাবিক রক্তপাত, অবিরাম কাশি, কণ্ঠস্বর পরিবর্তন, ক্ষত সারতে দেরি হওয়া, হঠাৎ গাঁট বা পিণ্ডের উপস্থিতি। এসব লক্ষণগুলি মূলত সাধারণ রোগের মতো হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে থাকলে এগুলি গুরুত্বপূর্ণ হয়।


চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি চাই
মরন বেধী টোগ
শ্তেম সেল নিউটশন থেরাপিতে অনেকটা নিয়ন্ত্রন্সম্ভব হচ্ছে