বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত ডায়াবেটিক চিকিৎসাপদ্ধতি ভুলপথে পরিচালিত হচ্ছে। এভাবে লক্ষণ ধামাচাপা দিয়ে রাখা সম্ভব হলেও বাংলাদেশকে কখনোই ডায়াবেটিক-মুক্ত করা যাবে না, বরং দিনে দিনে রোগীর সংখ্যা ও ড্রাগসের অপব্যবহার আশংকাজনক হারে বাড়তেই থাকবে। সেই সঙ্গে সম্প্রসারিত হবে ডায়াবেটিক-কেন্দ্রিক চিকিৎসা-বাণিজ্য। প্রশ্ন হলো- এই অবস্থা থেকে উত্তরণের কোনো উপায় কি তবে অবশিষ্ট নাই? উপায় অবশ্যই আছে। আমরা যদি মহান সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত পবিত্র কোরআন অর্থ বুঝে পাঠ করি, কোরআনের জ্ঞানকে দৈনন্দিন জীবনযাপনে প্রয়োগ/অনুশীলন করি, সেই সঙ্গে হাদিসের নির্দেশনা পুরোপুরি অনুসরণ করি এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ মেনে চলি, কেবলমাত্র তাহলেই বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে ডায়াবেটিক মুক্ত করা সম্ভব। প্রকৃতপক্ষে মানুষ (সঠিক জ্ঞানের অভাবে) খাদ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে চারভাবে ভুল করছে- ১. অধিকাংশ খাদ্য নির্বাচন সঠিক নয়, ২, গ্রহণকৃত খাদ্যের পরিমাণ সঠিক নয়, ৩. খাদ্যগ্রহণের সময়সূচী ও প্রেক্ষাপট প্রকৃতি-বান্ধব নয়, সর্বোপরি ৪. খাদ্যগ্রহণের ভঙ্গিমাও সঠিক নয়। উল্লেখিত ভুলগুলো শুধরাইতে না পারলে শুধুমাত্র কিটোজেনিক ডায়েট অথবা পুষ্টিবিদ/ ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলে বাংলাদেশকে ডায়াবেটিক-মুক্ত করা যাবে না। এর পাশাপাশি পানিপানের তিন ভুল এবং শ্বাসগ্রহণের দুই ভুলও শুধরাতে হবে। সর্বোপরি দান ও দোয়া অব্যাহত রাখতে হবে। কেননা… দাওয়া + দোয়া + দান = সুস্থতা ফিরে পাওয়ার অব্যর্থ সমাধান!


nari vury