১৯১৭ সালের ২৪ অক্টোবর, দুর্গাপূজোর মহানবমীর দিন। রায়বাগানে মতিলাল সেনের বাড়িতে হঠাৎ আগুন লাগে। সেই আগুনে প্রাণ হারান মতিলাল সেনের বড় মেয়ে অমিয়বালা। পুড়ে যায় হীরালাল সেনের সমস্ত চলচ্চিত্র, নেগেটিভ, কষ্টার্জিত ইতিহাস। সেই আগুনে যেন পুড়ে গেল ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রারম্ভিক অধ্যায়ও।
পাঁচদিন পর, ২৯ অক্টোবর (মতান্তরে ২৬ অক্টোবর) ব্ল্যাকি স্কয়ারের বাড়িতে নিঃশব্দে নিভে গেল হীরালাল সেনের জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর সময় পাশে ছিলেন পরিবারের সদস্যরা ও তার বন্ধু ও অনুজপ্রতীম কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত। রেখে গেলেন স্ত্রী হেমাঙ্গিনী দেবী, চার কন্যা ও এক পুত্র, আর রেখে গেলেন বিস্মৃতির এক বিপুল উত্তরাধিকার। হীরালালের মৃত্যুর পর তার পুরো পরিবারের দায়িত্ব নেন তার ভাই দেবকীলাল।
মৃত্যুর পর পেরিয়ে গেছে ১০৮ বছর। তবু আজও হীরালাল সেনের নাম অনেকের অজানা। অথচ তিনি ছিলেন—উপমহাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শক, প্রথম বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাতা, প্রথম সংবাদচিত্র নির্মাতা এবং বহু মতানুসারে প্রথম কাহিনিচিত্র পরিচালক।



হীরালাল সোনা
ধন্যবাদ এমন পোষ্টের জন্য