সাবেক আম্পায়ার চৌধুরী এবার পর্দায় গ্যাংস্টার

প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬

আম্পায়ারিং বজানোর পর অবিচলিত থেকে গ্যাংস্টার! প্রস্তাবিত কালচে জ্যাকেট, প্রস্তাবিত রোদচশমা। আর একেবারে চ্যালা-চামুণ্ডারাও সঙ্গী হচ্ছেন। ঘোড়ায় চালানোর পর একেবারে সাথে দুঁদে ‘ডন’ বলেছেন। তা হচ্ছে অনিল চৌধুরীর কথা। এক দশক বেশি আইসিসির আম্পায়ার ছিলেন। অবসরের ছয় মাস পর তিনি নতুন কেরিয়ার ধারণ করেছেন। আম্পায়ারিংটির পরিচিত গুরুগম্ভীর ‘লুক’ ছাড়ে নতুন লুকে তাঁকে দেখে নেটিজেনরা চমকিয়ে গেছেন। ২০২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর। ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে ম্যাচের পর আম্পায়ারিং থেকে অবসর নেন অনিল চৌধুরী। সেই তিনি রুপালি পর্দায় পা রাখলেন।

বেয়াদবি পরে অনেকেই যখন বিশ্রাম নিতে বা ঘুরে বের হতে যায়, তখন আরেক ভূমিকায় নিজেকে পাওয়া যায়। অবসর-পরবর্তী ক্যারিয়ার শুরু করতে পারে চমক দেওয়া যায়। ‘গুলি তো চলেগি’ নামক একটি হরিয়ানভি মিউজিক ভিডিও তাকে দেখে গিয়েছিল। এই প্রকল্পটি সুমন গুহর নির্দেশনা করেছেন, যে অনুপ্রাণিত ডিজাইনার সর্বনামে চলচ্চিত্র নির্দেশনায় এসেছেন। ভিডিওটির উন্নতি করতে এপিক ফিল্মসের নরেশ ঝা সহায়তা করেছিলেন। গানটির ভিডিও প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অনিল চৌধুরী নিজে।

প্রথমবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে কেমন লাগছে? ৬০ বছর বয়সী সাবেক আম্পায়ার বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বা আইপিএল ম্যাচে আম্পায়ারিংয়ের তুলনায় আমার ওপর চাপ কিছুটা কম ছিল। ক্যামেরার সামনে ভুল করলে আপনি তা সংশোধনের সুযোগ পাবেন। তা ছাড়া এডিটিংয়ের টেবিলেও অনেক কিছু শুধরে নেওয়া যায়। কিন্তু আম্পায়ারিংয়ের ক্ষেত্রে তা হয় না। অভিনয়ের ক্ষেত্রে আপনাকে আবেগকে কাজে লাগাতে হয়। কিন্তু আম্পায়ারিংয়ে আবেগ এড়িয়ে চলতে হয়। তবে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে ভয় পাইনি। এর আগেও হরিয়ানভি ভাষায় ধারাভাষ্য দিয়েছি, যা আমাকে সাবলীল থাকতে সাহায্য করেছে।’ তা ছাড়া সুমন গুহ ও নরেশ ঝায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অনিল চৌধুরী.

২০১৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে অনিল চৌধুরী ১২টি টেস্ট, ৪৯টি ওয়ানডে, ৬৪টি টি-টুয়েন্টি আন্তর্জাতিক এবং ১৩১টি আইপিএল ম্যাচে আম্পায়ারিং করেছেন, যা সুন্দরম রবির আম্পায়ারিংয়ের রেকর্ডের সমান। ঘরোয়া ক্রিকেটেও অসাধারণ রেকর্ডের অধিকারী তিনি। ৯১টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ, ১১৪টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ এবং ২৭৮টি টি-টুয়েন্টিতে তাঁকে আম্পায়ার হিসেবে দেখা গিয়েছে। হরিয়ানভি ভাষায় ধারাভাষ্য ছাড়াও তিনি অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন অনলাইন পডকাস্টে। ২০২২ সালে বিসিসিআই তাঁকে এ+ ক্যাটাগরিতে রেখেছিল। সেই তালিকায় ছিলেন মাত্র ১০ আম্পায়ার।

২০১৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে অনিল চৌধুরী ১২টি টেস্ট, ৪৯টি ওয়ানডে, ৬৪টি টি-টুয়েন্টি আন্তর্জাতিক এবং ১৩১টি আইপিএল ম্যাচে আম্পায়ারিং করেছেন, যা সুন্দরম রবির আম্পায়ারিংয়ের রেকর্ডের সমান। ঘরোয়া ক্রিকেটেও অসাধারণ রেকর্ডের অধিকারী তিনি। ৯১টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ, ১১৪টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ এবং ২৭৮টি টি-টুয়েন্টিতে তাঁকে আম্পায়ার হিসেবে দেখা গিয়েছে। হরিয়ানভি ভাষায় ধারাভাষ্য ছাড়াও তিনি অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন অনলাইন পডকাস্টে। ২০২২ সালে বিসিসিআই তাঁকে এ+ ক্যাটাগরিতে রেখেছিল। সেই তালিকায় ছিলেন মাত্র ১০ আম্পায়ার।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top