প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বলিউডের বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকার সেলিম খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে চলচ্চিত্র অঙ্গন ও ভক্তমহলে। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের পর গতকাল মঙ্গলবার তাঁকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গভীর রাতে ছড়িয়ে পড়ে, তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে পরিবার বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার পর তাঁর মস্তিষ্কের ডান পাশে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, একটি রক্তনালি ফেটে যাওয়ার কারণেই এই জটিলতা তৈরি হয়েছে। সন্ধ্যায় প্রকাশিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে তাঁর অবস্থা ‘স্থিতিশীল’ বলা হলেও তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আজ (বুধবার) তাঁর অস্ত্রোপচার হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
চিকিৎসক দলের মধ্যে আছেন নিউরোলজিস্ট বিনয় চাভান, কার্ডিওলজিস্ট অজিত মেনন, নিউরোসার্জন নীতিন ডাঙ্গে এবং চিকিৎসক বিনীত আহলুওয়ালি। চিকিৎসক জালিল পারকার বলেছেন, আজ বুধবার বেলা ১১টায় সেলিম খানের স্বাস্থ্যগত অবস্থার আপডেট দেওয়া হবে। একই সময়ে সালমান খানের দল থেকেও বিবৃতি আসতে পারে বলে জানা গেছে।
গভীর রাতে হাসপাতালে সালমানবাবার অসুস্থতার খবর পেয়ে শুটিং ছেড়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছান সালমান খান। গভীর রাতে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে স্পষ্টতই উদ্বিগ্ন ও বিষণ্ন দেখাচ্ছিল। পরিবারের সদস্যদের প্রায় সবাই হাসপাতালে উপস্থিত রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আছেন আরবাজ খান, শুরা খান, হেলেন, সালমা খান, আলভিরা, অর্পিতা, অতুল অগ্নিহোত্রী, আয়ুষ শর্মা এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা।
‘সেলিম-জাভেদ’ নামক একটি সোনালি অধ্যায়ে, বয়সে সাতাশে পৌরাণিক ধারাবাহিক নির্মাতা সেলিম খান হিন্দি চলচ্চিত্রে এক অবদানমূলক চিত্রনাট্যকার হিসেবে পরিচিত। তার সাথে জাভেদ আখতারের ‘সেলিম-জাভেদ’ দ্বৈপক সঙ্গী সাতাশের দশকে হিন্দি চলচ্চিত্রে একটি প্রধানত পরিবর্তন ঘটি। তাদের হাত থেকে ‘শোলে’, ‘দিওয়ার’, ‘জঞ্জির’ এবং ‘ডন’ এর মতো অজানা চলচ্চিত্র উৎপন্ন হয়। এই জুটির কাজের ফলে হিন্দি চলচ্চিত্রে ‘অ্যাংরি ইয়াং ম্যান’ চরিত্রের উত্থান হয়, যা পর্দায় জনপ্রিয় করে তুলেছেন অমিতাভ বচ্চন।


