প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
‘মা, আপনি কেমন আছেন? ফোন করা ঠিক হচ্ছে না, হাসপাতালে যেতে হচ্ছে না। আপনার শীঘ্রই সুস্থতার জন্য বিরক্ত করা হচ্ছে না। কিন্তু অত্যন্ত দেখতে ইচ্ছা হচ্ছে, মা।’ এই বাক্যগুলি মায়ের চরিত্রে অভিনয় করা শিল্পী রেশমা আহমেদের। অভিনয়ের মঞ্চে এ ধরনের অনেকে অন্যান্য অভিনয়শিল্পী তানিয়া বৃষ্টির ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হওয়ার খবরে উদ্বিগ্ন ছিলেন। অস্পষ্টতা দূর করার পর অভিনয়ের মঞ্চের মানুষের পাশে তানিয়া বৃষ্টির ভক্তদেরও সুস্থতায় আছেন। অস্পষ্টতা শেষে এখন তারা কেমন আছেন, তাদের প্রিয় অভিনয়শিল্পী সম্পর্কে ভক্তদের চিন্তা করছে।
তানিয়া বৃষ্টির সর্বশেষ অবস্থা জানতে আজ শুক্রবার ছুটির দিনে যোগাযোগ করা হয় পরিচালক সকাল আহমেদের সঙ্গে। তিনি বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার তানিয়া বৃষ্টিকে হাসপাতাল থেকে বাসায় নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এখন বড় বোনের তত্বাবধানে আছেন তিনি। আগের চেয়ে ভালো আছেন। চিকিৎসক তাঁকে আপাতত বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
জানা গেছে, তানিয়া বৃষ্টি খুব তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ, গত কয়েক দিনে শত শত ফোনকল এসেছে। মাত্রাতিরিক্ত ফোনকল দিয়ে কেউ যেন বিব্রত না করেন। এমন সংবেদনশীল সময়ে মানসিক স্থিতি ও পূর্ণ বিশ্রামই সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সবাইকে দোয়া করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।দুই হাসপাতালে ধারাবাহিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে।
চিকিৎসকদের পরামর্শে গত রোববার বিকেলে চার ঘণ্টাব্যাপী অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। পরদিন সকালে তাঁকে কেবিনে নেওয়া হয়। পরিচালক সকাল আহমেদ জানান, বেশ কিছুদিন ধরে তানিয়া তীব্র মাথাব্যথা, জ্বর-ঠান্ডা ও শারীরিক অস্বস্তিতে ভুগছিলেন। প্রথমে বিষয়টি তেমন গুরুত্ব দেননি। কয়েক দিন আগে অবস্থার অবনতি হলে উত্তরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানকার পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে। পরে ঢাকার আরেকটি হাসপাতালে পুনরায় পরীক্ষা করানো হলে একই ফলাফল আসে। এরপর সেখানেই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
আসলে, অস্ত্রোপচারের আগে নিজেই এইভাবে লেখেছিলাম, ‘আমার মাথায় অস্ত্রোপচার, দোয়া করবেন সবাই। ব্রেন টিউমার।’ এই পোস্টের সাথে জুড়ে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা গেছে।


