ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্দোলন ঘিরে শুক্রবার বিকাল থেকে রাজধানীতে মেট্রোরেলের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে পুরো নেটওয়ার্কজুড়ে যাত্রীরা পড়ে গেছেন বিপাকে।
বিকাল পৌনে ৫টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন স্টেশন গেইটে যাত্রীদের ভিড় দেখা যায়। কেউ স্টেশনে এসেই জানতে পারছেন—ট্রেন চলবে না। বাধ্য হয়ে সবাই বাস বা অন্যান্য যানে ফিরে যাচ্ছেন।
ঢাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রইসুল ইসলাম বলেন,
“মিরপুরে সাড়ে ৫টায় আমার টিউশন ছিল। মেট্রোরেল বন্ধ থাকায় আর যাওয়া হবে না। এভাবে যে যার ইচ্ছামত আন্দোলন করবে, আর মানুষকে বিপদে ফেলবে—এটা সহ্য করা কঠিন।”
আরেক যাত্রী ফরহাদ আলম জানান,
“দিয়াবাড়িতে আমার বাসা। আজ একটা জরুরি মিটিং ছিল। এখন বিপদে পড়েছি। বাসে করেই ফিরতে হবে।”
স্টেশনে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা জানিয়েছেন, বিকাল থেকে অসংখ্য যাত্রী এসে ফিরে গেছেন। মেট্রোরেলের বন্ধের ঘোষণা বা সময়সীমা সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না থাকায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে।
কর্মবিরতির কারণ
বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি-বিধিমালা’ প্রণয়ন ও প্রকাশ না করায় পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ডিএমটিসিএলের নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শুক্রবার দুপুর ৩টা থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি শুরু করেন।
উত্তরার দিয়াবাড়িতে প্রধান কার্যালয়ের সামনে তারা অবস্থান কর্মসূচি দেন।
এসময় এমডি ফারুক আহমেদ আলোচনার চেষ্টা করলেও বিক্ষুব্ধ কর্মচারীরা তাকে তার কক্ষে আটকে রাখেন। আন্দোলনকারী আকরাম হোসেন জানান,
“দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো ট্রেন অপারেশনে যাবে না। আমরা সর্বাত্মক কর্মবিরতিতেই থাকছি।”
হঠাৎ করে বন্ধ হওয়া মেট্রোরেল শহরের একাংশের যাতায়াত ব্যবস্থা থামিয়ে দিয়েছে। যাত্রীরা বলছেন, গণপরিবহনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক টানাপোড়েনের বাইরে থাকা জরুরি।




যাত্রীরা পড়ে গেছেন বিপাকে
্তাদের বহিস্কার করা দরকার
স্বাভাবিক ভাবেই যাত্রীরা চরম দুর্ভুগের মধ্যে পরবে।
যত দাবি এই সরকারের কাছে