পর্ন সাইটে নিজের আপত্তিকর ছবি দেখে তাজ্জব অভিনেত্রী

আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই ছড়িয়ে পড়ে তারকাদের আপত্তিকর ছবি। আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগে সেই রকমই এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। তখন বয়স মাত্র ১৫ বছর। স্কুলে পড়াকালীন আচমকা পর্ন সাইটে নিজের আপত্তিকর ছবি দেখে তাজ্জব বনে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। এই ঘটনা জাহ্নবীর কিশোরী মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে কৈশোরের সেই ডারুন অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন কাপুর তনয়া। সেই মুহূর্তের কথা বলতে গিয়ে জাহ্নবী বলেন, ‘আমি আজও জানি না ওটা আমার ঠিক ছিল কি না। তবে এটুকু নিশ্চিত যে এমনই কিছু থাকতো। একটা পর্ন সাইটে যখন নিজের ছবি দেখেছিলাম তখন আমি একজন স্কুলছাত্রী। তাই প্রথমে দেখে যেন পুরো শরীর কেঁপে উঠেছিল।’

স্মৃতিচারণা করে আর বলেন, ‘আমাদের তখন একটা আইটির ক্লাস হতো। ছেলেরা পর্ন সাইট দেখে মজা নিত। আর সেখানে আমার ছবি, কী মারাত্মক! স্কুলে পড়াকালীন এই রকম একটা ঘটনা আমার জীবনকে যেন সেই মুহূর্তে একেবারে ওলটপালট করে দিয়েছিল। একটা সময় মনে হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া থাকাটাই যেন অপরাধ। আমি সেই অপরাধের মাশুল গুনছি। এতগুলো বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনার সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা যেন আজও আমাকে তাড়া করে বেড়ায়। আমি তো সাহস করে তখন অভিযোগও করতে পারিনি।’

জাহ্নবী বলেন, ‘যদি কখনো কেউ পরিচালকের পোশাকে সমস্যা থাকলে বা বললেন যে এই পোশাকে আমি সুখী নই, তাহলে উনি এই ছবিগুলোকে উদাহরণ হিসেবে সংরক্ষণ করবেন।অনলাইন ‘কেলেঙ্কারি’ বিষয়ে কথা বলার সময়, অভিনেত্রীর যুক্তিগত মন্তব্য, এখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কাছে অনেক ছবি আসে যেগুলি বাস্তবে কোন সম্পর্ক রাখে না। ‘ডিপফেক’ এবং ‘এআই’ এর ভয়ে জাহ্নবী বলেন, ‘আমি একদম নিরাপদ থাকতে পারি না। কারণ, আমি এমন কিছু ছবি দেখি এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় যা পুরোপুরি এআই তথ্য দ্বারা বানানো। আমি যে ধরনের পোশাক পরি, সেই পোশাকে আমার ছবিতে পোজ দেওয়া কিন্তু তা ভাঙ্গিমায় করে খারাপ প্রতিষ্ঠাপনা করা হয়।’

প্রযুক্তির জটিলতার কারণে জাহ্নবীর জীবনও সবার থেকে বেশি প্রভাবিত হয়েছে। এই ভাবে ছবিগুলো এমনভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, যেন আমি নিজেই সেগুলো স্বইচ্ছায় শেয়ার করেছি। এর পরিণামে আমার সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে আমি যদি কোনো পোশাক নিয়ে পরিচালককে আপত্তি জানাই, তাহলে তিনি আমাকে আর বিশ্বাস করবেন না। এই ছবিগুলো আগামীতে উদাহরণ হিসেবে রাখবেন। উলটো দিকের মানুষের সত্যিই কঠিনভাবে বুঝা সম্ভব নয় যেমন এআইয়ের কেরামতি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top