ইরানে বড় ধরনের হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প: নিউইয়র্ক টাইমস

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তুভিত্তিক সামরিক হামলার কথা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে দেশটির নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করার মতো বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতেও তিনি দ্বিধা করবেন না। 

অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয়ে অবগত মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি রবিবার জানিয়েছে, ট্রাম্প তার উপদেষ্টাদের স্পষ্ট করে বলেছেন, আসন্ন আলোচনা বা সীমিত সামরিক হামলার মাধ্যমে তেহরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করতে রাজি করানো না গেলে আগামী মাসগুলোতে তিনি আরও বিস্তৃত সামরিক অভিযানের পথে হাঁটবেন।

আগামী বৃহস্পতিবার জেনেভায় মার্কিন ও ইরানি আলোচকদের একটি চূড়ান্ত বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। কর্মকর্তাদের ভাষায় এটি সামরিক সংঘাত এড়ানোর ‘শেষ চেষ্টা’। ওমানের মধ্যস্থতায় এর আগে ৬ ফেব্রুয়ারি মাস্কাটে এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় দুই দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ ফেব্রুয়ারি সুইজারল্যান্ডে তৃতীয় দফার এই বৈঠকটি হতে যাচ্ছে। তবে নিউইয়র্ক টাইমসের দাবি, ট্রাম্প এর মধ্যেই আগামী কয়েক দিনের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে হামলার চালানোর দিকে ঝুঁকে রয়েছেন যাতে ইরানকে এই বার্তা দেওয়া যায়, তাদের অবশ্যই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ত্যাগ করতে হবে।

মার্কিন প্রশাসনের বিবেচনায় থাকা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলোর তালিকায় ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের সদর দপ্তর, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল অবকাঠামো রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে এই প্রাথমিক পদক্ষেপগুলো যদি কাজ না করে, তবে তিনি চলতি বছরের শেষের দিকে বড় ধরনের সামরিক আক্রমণ শুরু করবেন যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হবে ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের পতন ঘটানো।

সূত্র: টিআরটি

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top